৭ম বর্ষ: ৪র্থ সংখ্যা (আগস্ট – অক্টোবর ২০২১)

(more…)
Social Share
  •  
  •  
  • 350
  •  
  •  
  •  
  •  

সংবাদপত্রের পাতা থেকে (২৫ এপ্রিল- ২৬ জুলাই ২০২১)

অর্থনীতি

করোনায় বড় প্রতিষ্ঠানের ভালো ব্যবসা

২৫ মে ২০২১, প্রথম আলো

করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার গত এক বছরে চলাচলে নানা বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। চলাচল সীমিত হওয়ায় পারস্পরিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হয়ে ওঠে মোবাইল ফোন বা মুঠোফোন। ফোনে কথা বলা যেমন বেড়েছে, তেমনি ইন্টারনেটের ব্যবহারও বেড়েছে। চলাচলে বাধা থাকায় করোনাকালে ‘ভিডিও কলও’ জনপ্রিয় হয়েছে। আবার শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাসরুমের বদলে মোবাইলে বা ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনলাইন ক্লাস করেছেন।

এসব কারণে করোনাকালে মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর ব্যবসা বেড়েছে। ফলে মুঠোফোন অপারেটরদের কাছ থেকে ভ্যাট, সম্পূরক শুল্কসহ নানা ধরনের শুল্ক-করও আগের চেয়ে বেশি পেয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক—দেশের এই চারটি মোবাইল ফোন অপারেটর এনবিআরের বৃহৎ করদাতা ইউনিটে (এলটিইউ) তালিকাভুক্ত। এ চার অপারেটর থেকে চলতি ২০২০–২১ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে ৭ হাজার ৮৬ কোটি টাকা ভ্যাট পাওয়া গেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে দেড় হাজার কোটি টাকা বা ২৮ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরে ভ্যাট পাওয়া গিয়েছিল ৫ হাজার ৫৬১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ৩ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকা ভ্যাট দিয়েছে গ্রামীণফোন।

শুধু মোবাইল ফোন নয়; করোনাকালে দেশের বড় বড় খাতের বড় কোম্পানিগুলো ভালো ব্যবসা করেছে। ভালো ব্যবসা করে এসব কোম্পানি সরকারি কোষাগারে আগের বছরের চেয়ে শুল্ক-করও বেশি দিয়েছে। করোনার বছরে ভালো ব্যবসা করা বড় খাতগুলোর মধ্যে আছে সিগারেট, মোবাইল ফোন, ওষুধ, সিমেন্ট, ব্যাংক ও আর্থিক খাত, খাদ্য ও খাদ্যজাত পণ্য এবং পানীয় খাত। ভ্যাট আদায়ের তথ্য বলছে, এসব খাতের বড় বড় কোম্পানি আগের চেয়ে বেশি ব্যবসা করে বেশি ভ্যাট দিয়েছে সরকারকে।

সয়াবিন তেলের দামে রেকর্ড, লিটারে বাড়ল ১২ টাকা

২৭ মে ২১, সমকাল

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড গড়েছে সয়াবিন তেল। প্রতিলিটার সয়াবিন তেলের দাম এক সঙ্গে ১২ টাকা বেড়েছে। এই দর বৃদ্ধির ফলে এখন প্রতিলিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল কিনতে ১৫৩ টাকা গুনতে হবে।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনষ্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।

গত মাসে ৫ টাকা দর বৃদ্ধির পর আবার ৩ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় সংগঠনটি। তখন প্রতিলিটার বোতলজাত সয়াবিন ১৪১ টাকা মূল্য ঠিক করা হয়। এই দর এক লাফে ১২ টাকা বেড়ে প্রতিলিটার ১৫৩ টাকা হয়েছে।

ব্যয় বাড়ল ৩৬০০ কোটি টাকা

০১ জুন ২০২১, প্রথম আলো

নারায়ণগঞ্জ থেকে মেঘনা নদীর পানি শোধন করে রাজধানীতে সরবরাহের জন্য ঢাকা ওয়াসা কাজ শুরু করে ২০১৩ সালের অক্টোবরে। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। সাত বছরে মাত্র ৩৯ ভাগ কাজ করেছে ওয়াসা। এ অবস্থায় আড়াই বছর মেয়াদ বাড়ানো হয়। সঙ্গে প্রকল্পের খরচ বাড়ানো হয় ২ হাজার ৯০৩ কোটি টাকা। এখন আরও আড়াই বছর মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে ওয়াসা।

ঢাকা ওয়াসার প্রকল্পভিত্তিক তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, চলমান ১০টি প্রকল্পের মধ্যে ৮টিই নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি। এই প্রকল্পগুলোর অনুমোদিত খরচের বাইরে আরও ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। আট প্রকল্পের চারটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। চারটির মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বাকি দুটি প্রকল্পের একটি ২০২৩, অন্যটি ২০২৪ সালে শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু এগুলোর একটির কাজ ২৩ ভাগ এবং আরেকটির মাত্র ৭ ভাগ হয়েছে। এই ১০ প্রকল্পের মোট ব্যয় ২৬ হাজার ৮৭১ কোটি টাকা।

‘আমার ঘরে খাবারের কষ্ট’ আইটি ফ্রিল্যান্সারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১ জুন, ২০২১, ডেইলিস্টার অনলাইন বাংলা

রাজশাহীতে নিজ বাড়িতে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় এক আইটি ফ্রিল্যান্সারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত মো.…

সর্বজনকথা ৭ম বর্ষ: ৩য় সংখ্যা (মে – জুলাই ২০২১)

(more…)
Social Share
  •  
  •  
  • 350
  •  
  •  
  •  
  •  

বাঁশখালী কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্র: প্রতারণামূলক নিষ্ঠুর ‘উন্নয়ন’ প্রকল্পের দৃষ্টান্ত

কল্লোল মোস্তফা

‘অন্ধকার থেকে আলোর মিছিলে প্রিয় বাংলাদেশ’ এই বিজ্ঞাপনী প্রচার দিয়ে এই প্রকল্পের যাত্রা শুরু করেছিল এস আলম গ্রুপ। এই প্রকল্পে তার সহযোগী চীনা কোম্পানি আর পৃষ্ঠপোষক সরকার। প্রথম থেকেই এই প্রকল্পে পাওয়া যায় কোম্পানি-সরকারের যোগসাজসে প্রতারণা, জালিয়াতি, অনিয়ম আর জোর জবরদস্তির নানা চিত্র। এর কারণে এই প্রকল্প এলাকার গরীব মানুষ আর প্রকল্পের শ্রমিকদের উপর জুলুমের অনেক ঘটনা ঘটেছে, পুলিশ-সন্ত্রাসীদের গুলিতে মানুষ খুনজখম করা তার অংশ। এই প্রাণবিনাশী প্রকল্প  প্রথম থেকেই কীরকম অনিয়ম ও মিথ্যাচারের উপর দিয়ে চলছে তার একটি সংক্ষিপ্ত চিত্র এই লেখায় উপস্থিত করা হয়েছে।  

যে প্রকল্প নির্মাণের ক্ষেত্রে প্রতিবাদ বিক্ষোভ এবং তার প্রতিক্রিয়ায় গুলি করে হত্যার ঘটনা দু-দুবার ঘটতে পারে, তা যে কোনো সাধারণ প্রকল্প নয়, তা বলাই বাহুল্য। দেশীয় কোম্পানি এস আলম ও চীনা কোম্পানি সেপকো-৩ এবং এইচটিজির যৌথ মালিকানায় নির্মিতব্য বাঁশখালী কয়লাবিদ্যুৎ প্রকল্প এরকমই একটি অসাধারণ ‘উন্নয়ন’ প্রকল্প! অসাধারণ বলেই হয়তো ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের ‘শুভ উদ্বোধন’ উপলক্ষ্যে সংবাদপত্রের পাতাজুড়ে দেওয়া এস আলম ও চীনা কোম্পানি সেপকো-৩-এর যৌথ বিজ্ঞাপনের শিরোনাম ছিল: ‘অন্ধকার থেকে আলোর মিছিলে প্রিয় বাংলাদেশ’! এই বিশেষ ‘উন্নয়ন’ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রথমবার মানুষ হত্যার ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৬ সালের ৪ এপ্রিল টেক্সটাইল মিলস ও ভেজিটেবল অয়েলের নামে জমি কিনে প্রতারণামূলকভাবে কয়লাবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠা বাঁশখালীর গণ্ডামারা গ্রামবাসীর ওপর গুলি চালিয়ে। আর দ্বিতীয়বার মানুষ হত্যা করা হয় ওই ঘটনার পাঁচ বছর পর ২০২১ সালের ১৭ এপ্রিল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ পর্যায়ে সময়মতো বেতন-ভাতা পরিশোধ ও রোজার সময় কাজের সময়সূচি পরিবর্তনের ন্যায্য দাবিতে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ওপর গুলি চালিয়ে।

(more…)
Social Share
  •  
  •  
  • 350
  •  
  •  
  •  
  •