করোনা মোকাবিলা, ২৬টি পাটকল বন্ধ ঘোষণা এবং অনলাইন ক্লাশ বিষয়ে শিক্ষকসহ নাগরিকদের বক্তব্য

করোনা মোকাবিলা, ২৬টি পাটকল বন্ধ ঘোষণা এবং অনলাইন ক্লাশ বিষয়ে শিক্ষকসহ নাগরিকদের বক্তব্য

করোনা বিষয়ে সরকারের করণীয় নিয়ে প্রথম থেকেই নাগরিকদের পক্ষ থেকে  একাধিক বিবৃতি ও সুপারিশমালা দেয়া হয়েছে। গত মে-জুলাই সংখ্যায় সেগুলো আমরা একসাথে সংরক্ষণ করেছি। এরপর গত জুন মাসে ‘ছুটি’ শেষ করে লকডাউন এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম নিয়ে সরকারের বিভ্রান্তিকর ও বিপজ্জনক উদ্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে নাগরিকদের পক্ষ থেকে আবারও বিবৃতি দেয়া হয়। দ্বিতীয়ত,  এই অভূতপূর্ব করোনা বিপর্যয়ের মধ্যে লক্ষাধিক মানুষের জীবন তছনছ করে পাটশিল্পের জমি দখল করতে বন্ধ করে দেয়া হয় ২৬টি পাটকল। এই বিষয়ে প্রদত্ত একটি বিবৃতিতে প্রয়োজনীয় বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। তৃতীয়ত,  করোনাকালে অনলাইন ক্লাশ শুরু হয়েছে। কিন্তু নেটওযার্ক, যন্ত্র, খরচ ইত্যাদি নিয়ে বিপাকে বিরাট সংখ্যক শিক্ষার্থী। সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক একটি সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে  কিছু সুনির্দষ্টি সুপারিশ করেছে। বর্তমান সময়ে এসব মতামতের গুরুত্ব বিবেচনা করে এগুলো এই সংখ্যায় একসাথে রাখা হলো।

 

করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় নাগরিকবিবৃতি

সরকারের পক্ষ থেকে প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী ২ জুন তারিখ পর্যন্ত দেশে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ আর মারা গেছেন ৭০৯ জন। ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজি, ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ (আইইডিসিআর) এর উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে সম্প্রতি জানিয়েছেন, “কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা শনাক্তের চেয়ে ৪০ গুণ বেশি” [বাংলা, ১৬ মে, ২০২০; মানবজমিন, ১৭ মে, ২০২০]।

সরকারি পর্যায়ে গত এক সপ্তাহ যাবৎ প্রতিদিনের প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, মোট টেস্টের শতকরা ২০-২৫ ভাগ কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত। তার মানে হলো টেস্টের সংখ্যা বাড়লে রোগীর সংখ্যা নিশ্চিতভাবে আরো বেশি বাড়বে। আমাদের টেস্টের সক্ষমতা প্রতিদিন ৩০ হাজার [প্রথম আলো, ২৪ মে, ২০২০]। অথচ এই সক্ষমতার অর্ধেকও আমরা এখনো কার্যকর করতে পারিনি।

অথচ এরকম অবস্থাতেই ৩১ মে থেকে “স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত পরিসরে” অফিস, গণপরিবহনসহ সকল কিছু খুলে দেয়া হলো। “সীমিত পরিসরে” গণপরিবহন চালুর খেসারত হিসেবে সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য আন্তঃজেলা পরিবহনে এবং গণপরিবহনে শতকরা ৬০ ভাগ ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। এ যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘা। এ ধরণের সিদ্ধান্ত জনস্বার্থ বিরোধী এবং নিন্দনীয়। এক্ষেত্রে লক্ষ্যণীয় যে, অফিস, আদালত, গণপরিবহন সরকারি ঘোষণার মাধ্যমে খুলে দেয়ার পরবর্তী ২৪ ঘন্টায় ২ জুন তারিখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ব্রিফিং অনুয়ায়ী সর্বোচ্চ সংখ্যক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এদিকে রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরেও সংক্রমণ বিপদজনকভাবে বেড়ে চলেছে। একজন শরণার্থী ইতোমধ্যেই কোভিড-১৯- এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।

কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত প্রথম রোগী গত ৮ মার্চ ২০২০ তারিখে চিহ্নিত হওয়ার পর সংক্রমণরোধে যথাযথ লক-ডাউনের পরিবর্তে এখন পর্যন্ত ছয় দফায় রাষ্ট্রীয়ভাবে “সাধারণ ছুটি” ঘোষণা করা হয়েছে। তবে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে পোশাক কারখানা খুলে দিলে রোগীর সংখ্যা দ্রুতই বাড়তে থাকে। এক মাসের মধ্যে রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। আবারো মে মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে ঈদ উপলক্ষে দোকান-পাট, কারখানা খোলা এবং অন্যান্য ছাড়ের সিদ্ধান্ত নেয়ার পর থেকেও রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। এখন পরিস্থিতি আরো বিপদজনক হয়ে উঠেছে। তাই এ রকম পরিস্থিতিতে মহামারি মোকাবেলায় গঠিত ‘জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটি তাঁদের পরামর্শ ছিল আরো বেশি কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার। তাদের পরামর্শকে বিবেচনা না করে অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে সচল করার সিদ্ধান্ত খুবই আত্মঘাতী হবে বলে আমরা মনে করছি। লক-ডাউন তুলে নেয়ার ক্ষেত্রে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া মহামারিতে আক্রান্ত রাষ্ট্রগুলো সাধারণত এমন একটা সময় বেছে নিয়েছিল যখন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা সম্পূর্ণ কমে গেছে অথবা তাৎপর্যপূর্ণভাবে কমতে শুরু করেছে।

বিরাজমান করোনা পরিস্থিতি থেকে বের হওয়ার কোনো রকম সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা কৌশল ছাড়া সাধারণ ছুটি না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত করোনা সংক্রমনের ঝুঁকিসহ দীর্ঘমেয়াদে জীবন ও জীবিকার সংকটে শুধু দরিদ্র আর সাধারণ নাগরিকরাই পড়বেন না বরং সার্বিকভাবে সকলকেই মহাবিপদের দিকে ঠেলে দিবে। এতে দেখা যাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ শুরু হয়ে গেলেও অর্থনৈতিক এবং সামাজিকভাবেও আমরা বিচ্ছিন্ন থাকবো। এতে এই করোনা পরবর্তী অর্থনীতি আবার ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তিও হারাবে।

এ রকম আশংকার পরিপ্রেক্ষিতে জনমানুষের স্বার্থে আমরা সরকারের নিকট নিচের দাবিসমূহ বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি।

১। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগ পর্যন্ত (দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কমে এসে শূন্যের কাছাকাছি যাওয়ার আগ পর্যন্ত) সারাদেশে কার্যকর লকডাউন নিশ্চিত করা হোক। অতি জরুরি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও জরুরি জনসেবাভিত্তিক কর্মকাণ্ড বাদে সমস্ত অফিস আদালত ও শ্রমঘন কারখানা বন্ধ রাখা হোক। খাদ্য, ওষুধসহ জরুরি পণ্য পরিবহন বাদে সকল আন্তঃজেলা পরিবহন ও গণপরিবহন বন্ধ করা হোক।

২। লকডাউন কার্যকর করার প্রধান শর্ত হিসেবে সকল কর্মহীন মানুষের ঘরে ঘরে খাবার ও নগদ অর্থ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে। সমস্ত কল কারখানার শ্রমিক, সরকারি-বেসরকারি অফিস, আদালত, প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, কর্মকর্তাদের বেতন-ভাতা অব্যাহত রাখতে হবে এবং যেকোন ধরণের ছাটাই বন্ধ রাখতে হবে। একই সাথে লকডাউন তুলে নেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত কী হবে, সেজন্য একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে তা জনপরিসরে দ্রুতই প্রকাশ করা হোক।

৩। দেশের সকল পর্যায়ে টেস্টের সংখ্যা দ্রুত বাড়ানো হোক। প্রতিটি জেলার করোনা হাসপাতালে আরটি পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হোক। করোনা উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হওয়া প্রতিটি রোগীর নমুনা শুরুতে সংগ্রহ করে দ্রুত নিকটবর্তী ল্যাবে পাঠানো হোক। সংগৃহীত নমুনাগুলোর জট কমাতে দৈনিক টেস্টের সক্ষমতা বাড়ানো হোক, নমুনা শনাক্তকরণে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব কমিয়ে আনা হোক। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং গবেষণাগারের মধ্যে সমন্বয় করে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে করোনা টেস্ট সেন্টার স্থাপন করা হোক। উপরন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামো ব্যবহার করার বিষয়টিও বিবেচনায় নেয়া হোক।

৪। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের সহজলভ্য কিটের ট্রায়ালের ফল জনসম্মুখে প্রকাশ করা হোক। ট্রায়াল সফল হলে এই কিটের দেশব্যাপী ব্যাপক ব্যবহারের দ্রুত অনুমোদন দেয়া হোক।

৫। ক্রমবর্ধমান রোগী সংখ্যার প্রেক্ষাপটে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর করোনা ওয়ার্ডে শয্যা সংখ্যা বাড়ানো হোক। উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের করোনা হাসপাতালগুলোতে বা করোনা ওয়ার্ডে প্রতিটি রোগীর জন্যে নিরবিচ্ছিন্ন অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা করা হোক। পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও সুবিধা নিশ্চিত করে ইনডোর স্টেডিয়াম, জিমনেশিয়াম, কনভেনশন সেন্টারে অস্থায়ি হাসপাতাল দ্রুত গড়ে তোলা হোক। সেই সাথে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর অন্তত ৫০ শতাংশ শয্যা করোনা চিকিৎসায় ব্যবহারের যথাযথ উদ্যোগ নেয়া হোক। বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রায় ১০ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থীর যথাযথ চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন ৩৪৩ জন। নিচে তাদের তালিকা দেয়া হলো

১। মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২। সায়েমা খাতুন, সহযোগী অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৩। সামিনা লুৎফা, সহযোগী অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৪। আনু মুহাম্মদ, অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৫। আরশাদ মোমেন, অধ্যাপক, তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৬। নুসরাত এস চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, আমহার্স্ট কলেজ, ম্যাসাচুসেটস, যুক্তরাষ্ট্র
৭। রোবায়েত ফেরদৌস, অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৮। অনুপম সৈকত শান্ত, শিক্ষার্থী, গ্রনিঙ্গেন বিশ্ববিদ্যালয়
৯। জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, ব্যারিস্টার, আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট
১০। মীর্জা তাসলিমা সুলতানা, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১১। শারমিনা শামস, সহকারী অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
১২। নাসরিন খন্দকার, সহযোগী অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৩। গীতিআরা নাসরীন, অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৪। মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান, পিএইচডি গবেষোক, ক্লার্ক বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র
১৫। নাঈম সিনহা, সদস্য, জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চ
১৬। আতিকা রোমা, প্রতিষ্ঠাতা ও দলপ্রধান, যাবো বহুদূর
১৭। সিলভানা রহমান খান স্বর্ণা, কল্যাণ কর্মকর্তা, আম্বাত্তুর গ্রুপ অফ কোম্পানিজ
১৮। লাবিব ওয়াহিদ, সদস্য, কেন্দ্রীয় সংসদ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
১৯। মাশরুর ইমতিয়াজ, শিক্ষক, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২০। মেথান রেজা, ব্যাবস্থাপক, স্টোর, অনন্ত গ্রুপ
২১। মোহাম্মাদ জহিরুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
২২। সুবল কান্তি দে, শিক্ষার্থী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
২৩। মঞ্জুরুল হক, অধ্যক্ষ, বেইলি স্কুল
২৪। কাজলী ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২৫। ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য, সংগঠক, হেলথ সা‌র্ভিস ফোরাম
২৬। রাগীব নাঈম, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২৭। আলতাফ হোসেন রাসেল, সহকারী অধ্যাপক, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
২৮। তপন মাহমুদ, সহকারি অধ্যাপক, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
২৯। এ বি এম শামসুদ দোহা, বাণিজ্য পাতা সম্পাদক, ডেইলি স্টার
৩০। তাওহিদা জাহান, সহকারী অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩১। রুশাদ ফরিদী, সহকারী অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩২। কামরুল হাসান, অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩৩। শরিফুল হাসান, ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক
৩৪। রফিকুল রঞ্জু, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক, সমকাল
৩৫। এম জাকির হোসেন খান, নির্বাহী পরিচালক (অবৈতনিক), চ্যাঞ্জ ইনিশিয়েটিভ
৩৬। সাজ্জাদ এইচ সিদ্দিকী, সহযোগী অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩৭। এমডি মুফাসসির রশীদ, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩৮। ফারহানা আলম, যোগাযোগ কর্মকর্তা, আই এল ও
৩৯। সৈয়দ বাবুল, চাকুরীজীবী
৪০। ড. কাজী জাহেদ ইকবাল, আইনজীবী, আইনজীবী
৪১। ডা.রাজিয়া রহমান, সিনিয়র মেডিকেল অফিসার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার
৪২। বীথি ঘোষ, শিক্ষক, সংস্কৃতি কর্মী, সমগীত
৪৩। নাজিফা তাসনিম খানম তিশা, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৪৪। আইনুল হক, নাগরিক
৪৫। হুমায়ুন কবির, সমন্বয়ক, জেন অয়াইজেড
৪৬। আতিয়া ফেরদৌসী, পিএইচডি গবেষক, মিডল টেনেসি বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র
৪৭। মুমতাহানা মৌ, প্রভাষক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলা বিভাগ
৪৮। ফিরোজ আহমেদ, সদস্য, রাজনৈতিক পরিষদ, গণসংহতি আন্দোলন
৪৯। কৃষ্ণা বণিক পুষ্পিতা, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৫০। বেলাল হোসাইন বিদ্যা, সদস্য (কেন্দ্রীয় কমিটি), বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
৫১। ফাহিমা আক্তার, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৫২। রঞ্জন কুমার দে, সম্পাদক, www.bangladarpan.com

৫৩। রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, ব্যবস্থাপক (প্রশাসন), প্রবাসী, সরকারি চাকুরীজীবী
৫৪। তাসনীম সিরাজ মাহবুব, সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজী বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৫৫। মো.নাবিল এইচ, সিলেট জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
৫৬। নাজমুল মিলন, শিক্ষার্থী, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ।, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭। মাহাবুব আলম রুবেল, সম্পাদক, www.krantikal.com
৫৮। তানজিনা কবির, শিক্ষার্থি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৫৯। অনিমেষ রায়, শিক্ষার্থী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
৬০। আবিদা ফেরদৌসী, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৬১। মাকসুদা সুলতানা, শিক্ষক, দ্য ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজী সিডনি
৬২। ফারহানা হোসেন, গৃহিণী
৬৩। সম্পা দাস, সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন বরিশাল জেলা সংসদ
৬৪। সৈয়দ ফয়েজ আহমেদ, সাংবাদিক, ঢাকা ট্রিবিউন
৬৫। এমডি মাহদিউল হক, জুনিয়র এসোসিয়েট, ল চেম্বার
৬৬। অভিজিৎ বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি, ছাত্র ইউনিয়ন
৬৭। হাসনাত কাইয়ুম, সদস্য / এডভোকেট, রাষ্ট্রচিন্তা
৬৮। মনজুর আলম মিঠু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, সমাজতান্ত্রিক ক্ষেতমজুর ও কৃষক ফ্রন্ট
৬৯। অনুপ চক্রবর্তী অভি, কেন্দ্রীয় সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন।, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
৭০। রথীন্দ্র নাথ বাপ্পী, সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বশেমুরবিপ্রবি সংসদ
৭১। মোঃ আব্দুলআজিজ, এফ এ ভি পি, মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড
৭২। শাহেরীন আরাফাত, সম্পাদক, মঙ্গলধ্বনি
৭৩। ফাইরুজ ফাইজাহ, শিক্ষার্থী, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
৭৪। দাও সিং ন্যু মার্মা, প্রশিক্ষক, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল
৭৫। সাকিবুল আল ফারাভি, শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
৭৬। ইকবাল, সদস্য, নির্বান
৭৭। ঐশী, শিক্ষার্থি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৭৮। রুবাবা, নির্বাহী পরিচালক, সিসিআইএফবি
৭৯। মোস্তাকিম বিল্লাহ মাসুম, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৮০। জোহানা আফরিন, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৮১। মীর ফাহিম শিব্বির উদয়, সাংবাদিক, জাগরনবার্তা২৪ডটকম
৮২। চৈতী আহমেদ, প্রধান সম্পাদক, নারী.নিউজ
৮৩। জারিন জাহান, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৮৪। নাসরিন আকতার সুমি, নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা, প্রথম আলো
৮৫। দেওয়ান মাহবুব হোসেইন, সহযোগী অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৮৬। আশিকুর রহমান, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার, রূপালী ব্যাংক লিমিটেড
৮৭। আতিক, শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
৮৮। গোবিন্দ শীল, উপ সম্পাদক, দ্য নিউজ টাইমস
৮৯। আতাউল হক চৌধুরী, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৯০। এমডি হামজা কামাল মোস্তফা, শিক্ষার্থী, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়, ভারত
৯১। রিয়াজ আহমেদ, পরিচালক, বেশটপ লিমিটেড
৯২। নুরুন নাহিদ মো হাবিব, আইওএস ডেভেলপার, এলিটবাজ টেকনলজিস লিমিটেড
৯৩। কায়েস মাহমুদ, সম্পাদক, টার্মিনাল
৯৪। মাহফুজা রহমান, গৃহবধূ, গৃহবধূ
৯৫। শাহ আজিজ আহমেদ, শিক্ষা্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
৯৬। নাসির উদ্দিন প্রিন্স, সাধারণ সম্পাদক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট
৯৭। রুহি নাজ, এডভোকেট ও গবেষক, আইনজীবী
৯৮। আদনান আজিজ চৌধুরী, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৯৯। আবু নাইম তরুন, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১০০। জার্জীস আহমেদ, স্বত্তাধিকারী, ল্যাম্পপোস্ট
১০১। সাদিয়া মুন, কার্যকরী সদস্য, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১০২। শাহরিয়ার জিম, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১০৩। অর্পিতা শামস মিজান, সহকারী অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১০৪। মোশাররাফ হোসেন, সদস্য, সিপিবি
১০৫। সুচিস্মিতা তিথি, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১০৬। আফসানা বিনতে আমিন, প্রকল্প ব্যবস্থাপক, এনজিও
১০৭। মাশফিক মিজান, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১০৮। রাজীব কুমার দাস, শিক্ষার্থী, সাউথ এশিয়া ইউনিভার্সিটি, নয়া দিল্লী
১০৯। ফেরদৌস আহসান, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১১০। ফরিদ উদ্দিন, মার্কেটিং প্রধান, এভারগ্রীন নিটওয়্যার
১১১। মনীষা চক্রবর্তী, সদস্য সচিব, বাসদ, বরিশাল জেলা শাখা
১১২। হাসিবুল আলম, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১১৩। আলাউদ্দিন, অধ্যাপক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
১১৪। মাকসুদুর রহমান কাউন্সিলর, সিজেকেএস
১১৫। তাসবিবুল গনি নিলয়, সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, জাবি সংসদ
১১৬। ইয়াসির আরাফাত বর্ণ, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১১৭। রিয়া, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১১৮। মিশকাত মহিউদ্দিন, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১১৯। ওমর তারেক চৌধুরী, স্বনিয়োজিত, লেখক-অনুবাদক
১২০। অনুভব জয়াস, শিক্ষার্থী, লন্ডন কলেজ অফ লিগ্যাল স্টাডিজ
১২১। লামিয়া নওরীন, শিক্ষার্থী, ভিকারুন্নিসা নূন স্কুল ও কলেজ
১২২। মশিউর রহমান, শিক্ষার্থী, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
১২৩। পার্থ সারথী তালুকদার, উপসহকারী প্রকৌশলী, স্কয়্যার ফার্মাসিউটিক্যালস
১২৪। রায়হান, প্রকৌশলী, বুয়েট
১২৫। সাদিয়া মেহ্জাবিন তিস্তা, শিক্ষার্থী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
১২৬। রবিউল করিম নান্টু, স্বত্তাধিকারী, আদনান ইন্টারন্যাশনাল
১২৭। এম এইচ ববি
১২৮। এমডি আলী, গাড়ীর শো রুমে বিক্রয় কর্মী
১২৯। সাইফুল আলম, সিনিয়র পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞ, ইন্সটিটিউট অফ অয়াটার মডেলিং
১৩০। জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী, সদস্য, ঢাকা মহানগর, বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন
১৩১। সিল্কী, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৩২। মোঃনূরনবী, মাঠ কর্মী, বুরো বাংলাদেশ
১৩৩। দীউতী তাস্নূভা রিফাত, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৩৪। সাইফুজ্জামান সাকন, প্রাক্তন সভাপতি, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট
১৩৫। মাহির শাহরিয়ার রেজা, ক্রীড়া সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
১৩৬। খন্দকার শওকত, স্বত্তাধিকারী, খন্দকার ইন্টারন্যাশনাল
১৩৭। অরুণিমা তাহসিন, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৩৮। আইনুল হক, উত্তরা, ঢাকা
১৩৯। রাফিদ আজাদ সৌমিক, শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৪০। হান্না শামস আহমেদ, পিএইচ ডি গবেষক, ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়
১৪১। মাহমুদুল হুসাইন ইশাদী, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৪২। মীর রুম্মান ওয়ালি, নগরিক
১৪৩। খালেদ, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৪৪। মোশারফ হোসেইন, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৪৫। চৌধুরী তানভির লাবিব, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৪৬। আবদুল্লাহ আল মামুন, অফিস ইনচার্জ, কবির পাবলিকেশন্স
১৪৭। আহমেদুর রশীদ চৌধুরী, সম্পাদক ও প্রকাশক, শুদ্ধস্বর
১৪৮। প্রীতম তালুকদার, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৪৯। মাহমুদা খাঁ, সাবেক ডব্লিউপিই ব্যবস্থাপক, আই আর সি
১৫০। রাহাত মুস্তাফিজ, লেখক, ব্লগার, অনলাইন একটিভিস্ট, নরওয়ে প্রবাসী
১৫১। আনসূয়া চক্রবর্তী, শিক্ষার্থী
১৫২। এমডি আবু রায়হান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৫৩। শিবলুল হক শোভন, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৫৪। ফাত্তাহ আমিন চৌধুরী সিয়াম, সাংগঠনিক সম্পাদক, কিশোরগঞ্জ জেলা সংসদ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
১৫৫। সুশান্ত কুমার পাল, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৫৬। মাহা মির্জা, গবেষক
১৫৭। সলিমুল্লাহ, প্রভাষক, ঈদ্গাহ কলেজ
১৫৮। তারেক আহমেদ, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৫৯। তায়েবা জামান, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৬০। ইয়াসিন আলি, শিক্ষার্থী এনএস কলেজ, নাটোর
১৬১। সালমান মাহফুজ, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৬২। মঞ্জুর হোসেন, সারা গ্রুপ হোল্ডিং
১৬৩। কেএম মুত্তাকী, সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ
১৬৪। রাজেকুজ্জামান রতন, সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল
১৬৫। নিশাত তাসনিম, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৬৬। মোঃ ফোরকান, সহকারী শিক্ষক, চরবস্তী বায়তুর রসুল তাহেরিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা
১৬৭। রেফাত হোসেন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ, ডেল্টা ক্যাপিটাল
১৬৮। লুবনা সুলতানা, শিক্ষার্থী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
১৬৯। মো: আমিনুল হক, জেষ্ঠ্য প্রযোজক, দীপ্ত টেলিভিশন
১৭০। মোদাচ্ছের হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক, শ্রমজীবী সংঘ
১৭১। সাইফুল শামীম, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৭২। ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদ
১৭৩। সৈয়দ তাউহিদুল হক নাদীম, কাঠকয়লা রেস্টুরেন্ট, চট্টগ্রাম
১৭৪। শ্যামজিত পাল, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৭৫। ফয়সাল সাইফ, সহকারী পরিচালক, ফয়সাল মটরস
১৭৬। সাঈদ ফেরদৌস, অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৭৭। এমরানুল ইসলাম, এমপিও, জেনারেলফার্মাসিউটিক্যালস
১৭৮। মেহজাবিন হোসেন/ Mehjabeen Hossain, পিএইচডি শিক্ষার্থী/ PhD student, ইউনিভার্সিটি অফ মিসিসিপি
১৭৯। সুস্মিতা পৃথা, উপসম্পাদক, ডেইলি স্টার
১৮০। ফাহমিদুল হক, অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
১৮১। সৈয়দ এবিএম আফফান, শিক্ষার্থী, নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
১৮২। জান্নাতুল ইসলাম, নাগরিক
১৮৩। তাহসীন মল্লিক, সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
১৮৪। জাকির হোসেন রাজু, অধ্যাপক, ইন্ডিপেন্ডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ
১৮৫। কল্লোল মোস্তফা, সর্বজনকথা
১৮৬। রায়হান রাইন, অধ্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৮৭। সুমাইয়া বিনতে সেলিম, সাধারণ সদস্য, রাষ্ট্রচিন্তা
১৮৮। এটিডি এঞ্জেল, সাধারণ সম্পাদক, চৌপাশ নাট্যাঞ্চল
১৮৯। সাজ্জাদ সুমন, ফ্রি ল্যান্সার, সংগঠন নাই
১৯০। কল্যাণ ওয়াদ্দার, এস এফ সি, আরবি
১৯১। মনিষী রায়, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৯২। মনিরুল ইসলাম মনি, মহাপরিচালক, ষড়জ সাংস্কৃতিক অঙ্গন
১৯৩। এম.আর.লিটন, সাবেক সভাপতি, মানিকগঞ্জ জেলা সংসদ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
১৯৪। Mohamnad Mahbubul Alam, CEO, Mahbub Trade and Engineering
১৯৫। Shovon Rahman, Promotion and Publication secretary, Central Committee, Socialist Students’ Front
১৯৬। নাফিসা তানজীম, সহকারী অধ্যাপক, গ্লোবাল স্টাডিজ অ্যান্ড উইমেন্স, জেন্ডার অ্যান্ড সেক্সুয়ালিটি স্টাডিজ, লেযলি ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র
১৯৭। ইমরান ইমন, সদস্য, রাষ্ট্রচিন্তা
১৯৮। সুদীপ্ত দে, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
১৯৯। মইন উদ্দিন হিলালী তৌহিদ, শিক্ষার্থী, সাউথয়েস্ট পেট্রোলিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়
২০০। সহুল আহমদ, সদস্য, রাষ্ট্রচিন্তা
২০১। মোঃ মোরশেদ উদ্দিন, এক্সিকিউটিভ অফিসার, ন্যাশনাল ক্রেডিট এন্ড কমার্স ব্যাংক লিমিটেড
২০২। সাদাফ নূর, সহযোগী অধ্যাপক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
২০৩। সায়মা লুবনা, শিক্ষার্থী, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
২০৪। বিথী সপ্তর্ষি, স্টাফ রিপোর্টার, গাজি টিভি
২০৫। আরিফ রেজা মাহমুদ, সদস্য, অরাজ নেটওয়ার্ক
২০৬। আরিফুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, নন্দিত বাংলা
২০৭। শ্যামশ্রী দাস, প্রকল্প ব্যাবস্থাপক, ইয়াং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন
২০৮। মোঃ সুমন, ব্যাবসায়ি, কুমিল্লা
২০৯। দিল্লুর রহমান, শিক্ষার্থী, কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ
২১০। ফাইয়ায, কর্মচারী, চাকরি
২১১। আব্দুল করিম, শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২১২। উলুল অন্তর, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২১৩। সোহান, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২১৪। এমডি বোরহান, শিক্ষার্থী, শেখ বোরহানউদ্দিন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজ
২১৫। ওয়াকিলুর রহমান, শিল্পী
২১৬। আরিফুজ্জামান খান, ডেপুটি ম্যানেজার, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ
২১৭। আরিফুল ইসলাম, আমুর ইলেক্ট্রিনিক্স
২১৮। আরিফুর রহমান, গবেষক
২১৯। ফাতেমা বেগম, ফাইন্যান্সিয়াল উপদেষ্টা
২২০। ফারজানা ইয়াসমিন, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
২২১। ইরতিশাদ আহমদ, ইমেরিটাস প্রফেসর, ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
২২২। মো আহাদ আলী শেখ, পুষ্টি ব্যবস্থাপক, বেবি নিউট্রিউশন লিমিটেড
২২৩। মো. মুসা মিয়া,
২২৪। শাওমেন চৌধুরী, লজিস্টিক অফিসার, আর বি
২২৫। মালিহা, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২২৬। মিজানুর রহমান, নাগরিক
২২৭। মারজিয়া হাসান প্রভা, প্রকল্প কর্মকর্তা, প্রাগ্রসর
২২৮। অনিক রায়, সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় সংসদ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
২২৯। মিজান ইউ রশিদ, এডভোকেট, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
২৩০। ফরিদুল হক, সদস্য, রাষ্ট্রচিন্তা
২৩১। অপূর্ব ইসলাম, ব‍্যাবসায়ী, সময় উপোযোগী বাস্তব প্রস্তাব।
২৩২। ফাইয়াজ ফিরোজ, সিনিয়র কেস হ্যান্ডলার, ব্যুরো ভেরিটাস
২৩৩। শিফাত শাহরিয়ার প্রিয়ান, শিক্ষার্থী, জাককানইবি
২৩৪। শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি, আহ্বায়ক, স্বতন্ত্র জোট
২৩৫। মোশফেক আরা, সমন্বয়ক, সাঙ্গগাত – এ ফেমিনিস্ট নেটয়ার্ক
২৩৬। Zunaid Almamun, Graduate Student, Illinois State University
২৩৭। Mamun Hasan, Senior Animator, Sspark
২৩৮। Shapan Adnan, Professorial Research Associate, SOAS, University of London
২৩৯। মুহিব হাসান মাহি, সেলস এক্সিকিউটিভ, মুন ট্রাভেলস
২৪০। Maidul Islam, সহকারী অধ্যাপক, University of Chittagong
২৪১। রাহুল ভট্টাচার্য্য, সহকারী অধ্যাপক, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
২৪২। Rozyna Begum, Researcher, DRIK
২৪৩। Abid Nayem, CREATIVE HEAD, AQUAHOLIC TOURIST CARAVAN
২৪৪। আবদুল্লাহ মাহফুজ অভি, সংবাদ কর্মী ও নির্মাতা, বাঙ্গাল মিডিয়া ইন্টারন্যাশনাল
২৪৫। ফেরদৌস আহমেদ উজ্জল, সাবেক সভাপতি / সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন / পরিবেশ বার্তা
২৪৬। রবিউল হাসান পলাশ, আইনজীবী
২৪৭। Arefin Noman, Program Officer
২৪৮। Masurah Ahmed Suchi, শিক্ষার্থী
২৪৯। সাকির ইব্রাহীম মাটি, পরিচালক
২৫০। মৌরী সিদ্দিকা, স্টাফ রিপোর্টার
২৫১। জি এইচ হাবীব, শিক্ষক, অনুবাদক, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি (বাংলাদেশ লেখক ঐক্য)
২৫২। ফারজানা আওলাদ মৃদুলা, শিক্ষার্থী
২৫৩। কাবেরী গায়েন, অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২৫৪। সুমি রেক্সনা, এক্টিভিস্ট
২৫৫। রাশেদ শাহরিয়ার, সাধারণ সম্পাদক
২৫৬। ইমতিয়ার শামীম, লেখালেখি করি
২৫৭। সবুজ সরকার, থিয়েটার কর্মী
২৫৮। কামাল হোসেন, শিক্ষার্থী
২৫৯। তানিয়াহ মাহমুদা তিন্নি, প্রভাষক, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়
২৬০। দিলীপ রায়, সাধারণ সম্পাদক, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী
২৬১। ইকবাল কবীর, সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী
২৬২। অনিক সরকার, ছাত্র
২৬৩। আবু নাসের অনীক, সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় যুব পরিষদ
২৬৪। মাসউদ ইমরান মান্নু, অধ‍্যাপক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ‍্যালয়, সাভার, ঢাকা।
২৬৫। নিল, বর্মন
২৬৬। সৌভিক রেজা, অধ্যাপক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
২৬৭। এমডি সাব্বির হোসেইন, সহকারী অধ্যাপক, অর্থনীতি নিভাগ, নোয়াখালি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
২৬৮। মিজানুর, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী
২৬৯। সাবাহ্তুন নাহার শুভা, ছাত্র
২৭০। জাবির আহমেদ জুবেল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২৭১। ঋতু সাত্তার, শিল্পী
২৭২। মেহেদী হাসান, শিক্ষক
২৭৩। হেমায়েত কবির, আহ্বায়ক, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
২৭৪। কাওসার আহমেদ, শিক্ষার্থী
২৭৫। র্বকিন আবসার অর্নব, সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী (ঢাকা মহানগর)
২৭৬। শামীম ইমাম, কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক, গণতান্ত্রিক শ্রমিক ফেডারেশন
২৭৭। আহমেদ তালাত তাহজীব, রাজনৈতিক কর্মী(cpb)
২৭৮। বশীর আহমেদ, শিক্ষার্থী
২৭৯। সুব্রত পাল, চলচ্চিত্র নির্মাতা
২৮০। খুশী কবির, সমাজ সংগঠক
২৮১। আলী মো. আবু নাঈম, সভাপতি, শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতি পাঠাগার
২৮২। মাসুদ পারভেজ, আইটি ব্যবস্থাপক
২৮৩। সজিব তুষার, কবি
২৮৪। শাহাবুদ্দিন সিহাব, সাবেক শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
২৮৫। সায়েদা চৌধুরী, শিক্ষার্থী
২৮৬। মোঃ শেখ সিয়াম, ছাত্র
২৮৭। বনানী চক্রবর্তী, শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ
২৮৮। অনুপ কুন্ডু, সদস্য, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, ঢাকা নগর কমিটি
২৮৯। অজিত দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, কেন্দ্রীয় কমিটি
২৯০। ফাহমিদ, শিক্ষার্থী
২৯১। শফিউল আলম খান প্রিন্স, নাগরিক
২৯২। সুবিনয় রায় শুভ, সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, মৌলভীবাজার জেলা সংসদ
২৯৩। তন্বী তরুনিমা চৈতী
২৯৪। সেলীম আহমেদ, উদ্যোক্তা
২৯৫। রোকসানা খানম, চাকুরীজীবী
২৯৬। ফয়সাল, শিক্ষার্থী
২৯৭। মাহদী হাসান, প্রকৌশলী
২৯৮। জাকারিয়া হোসাইন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী
২৯৯। নকিব আল মাহমুদ অর্ণব, শিক্ষার্থী
৩০০। ম জাকারিয়া, উন্নয়ন উপদেষ্টা
৩০১। মো ইমদাদুল হক খান, পিএইচডি গবেষক, ইউনিভার্সিটি অফ মিসিসিপি, যুক্তরাষ্ট্র
৩০২। মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান, সাধারণজনগণ
৩০৩। ইকরামুল হক, ছাত্র
৩০৪। রিয়াজ খান, উদ্যোক্তা
৩০৫। পৃথী নাফিসা, শিক্ষার্থী
৩০৬। মাইনুল ইসলাম, শিক্ষক
৩০৭। রায়হান আনসারী, আয়কর আইনজীবী
৩০৮। মোস্তফা ফারুক, সমন্বয়ক, জাতীয় কমিটি ইউরোপীয় শাখা
৩০৯। মাহরুখ মহিউদ্দিন, এডজাঙ্কট অধ্যাপক
৩১০। রাফিদ, ব্যাবসায়ী
৩১১। তাহসিনা ফেরদৌস রিনিয়া, শিক্ষিকা
৩১২। নাজির আমিন চৌধুরী, শিক্ষার্থী
৩১৩। এবিএম মনিরুজ্জামান, সমন্বয়ক
৩১৪। নুর নবী দুলাল, মানবাধিকার কর্মী, ব্লগার ও এক্টিভিস্ট
৩১৫। কামাল চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক, ক্লিনিকাল সাইকোলজী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
৩১৬। নাসরিন আকতার সুমি, নাই
৩১৭। গাজী তারেক, অনাবাসী বাংলাদেশী
৩১৮। সৈয়দ আবুল হাসান, সিনিয়র লেকচারার (অর্থনীতি), মেসি ইউনিভার্সিটি, নিউজিলান্ড
৩১৯। মো হারুন-অর-রশিদ, অধ্যাপক মেডিসি, ঢাকা কমিউনিটি মেডিকেলকলেজ
৩২০। সাদমান সাকিব, লেখক, অনুবাদক ও অ্যাক্টিভিস্ট
৩২১। মাজহারুল ইসলাম খান, একাউন্টস অফিসার
৩২২। তাহসিন মাহমুদ, সম্পাদক, রোর বাংলা
৩২৩। বাধন অধিকারী, সহঃ বার্তা সম্পাদক, বাংলা ট্রিবিউন
৩২৪। মাশুক হেলাল অনিক, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার
৩২৫। মেহের নিগার, সহকারী অধ্যাপক
৩২৬। মোশাহিদা সুলতানা, সহযোগী অধ্যাপক
৩২৭। মোহাম্মদ মহসীন, শিক্ষক, নবারুণ আইডিয়াল হাইস্কুল
৩২৮। ডা আজিজুল করিম, মেডিকেল ডাক্তার, fellow, royal australian college of general practice, GP, Australia, Melbourne
৩২৯। গোপাল মজুমদার, এসইও কন্টেন্ট স্পেশালিস্ট, ডোমইনো বিল্ডার্স লিমিটেড
৩৩০। মোঃমতিউর রহমান, লিগ্যাল এইড অফিসার(পিপিজে প্রজেক্ট) দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়।, আরডিআরএস- বাংলাদেশ
৩৩১। নাজনীন আনোয়ার, জনস্বাস্থ্য ও স্নায়ুরোগ গবেষক, মোনাশ ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়া
৩৩২। সেখ নাসির আহমেদ, মানবাধিকার কর্মী, হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট ইনফরমেশন সেন্টার
৩৩৩। নাজনীন শিফা, পি এইচ ডি গবেষক, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়
৩৩৪। মহিদুল ইসলাম দাউদ, সংগঠক #FightForRights অনলাইন ফ্লাটফর্ম। ছাত্র, মাইজদী পাবলিক কলেজ
৩৩৫। শিল্পী বড়ুয়া, শিক্ষক, জা বি স্কুল ও কলেজ, জাঃ বিঃ স্কুল ও কলেজ।
৩৩৬। জগজ্জীবন, সমন্বয়ক, কথক খুলনা
৩৩৭। আ-আল মামুন, শিক্ষক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
৩৩৮। মোরশেদ জাহান মিথুন, গবেষক, এন এইচ কে ওয়ার্ল্ড
৩৩৯। সাঈদ হুসেন, বেবসা
৩৪০। সুজিত চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ, বিবিএফ
৩৪১। মোঃ শফিকুল ইসলাম, ছাত্র, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট
৩৪২। জোবায়ের আল মুহাইমিন, ছাত্র, ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ
৩৪৩। লাবণী মণ্ডল, বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলন, সহ আহ্বায়ক, বিপ্লবী শ্রমিক আন্দোলন, সহ আহ্বায়ক

——————————————————————————–

নাগরিক বিবৃতি: রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ করা যাবে না

গত ২৮শে জুন লোকসানের অজুহাত দেখিয়ে ২৬ টি পাটকল বন্ধ করে ২৪ হাজার ৮৮৬ জন শ্রমিককে ‘গোল্ডেন হ্যান্ডশেক’ দেওয়ার ঘোষণা করেছে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী জানিয়েছেন পাটকল শ্রমিকদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেক দিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো বন্ধ করার পরে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে সেগুলোকে আধুনিকায়ন করে আবার উৎপাদনমুখী করা হবে। তখন এসব শ্রমিক সেখানে চাকরি করার সুযোগ পাবেন। অথচ ২০১৯ এর ফেব্রুয়ারি মাসে একটি মতবিনিময় সভায় পাটমন্ত্রী নিজেই দুর্নীতি ও অব্যাবস্থাপনাকে লোকসানের পেছনের কারণ হিসেবে দেখিয়েছিলেন। এ থেকে একটা বিষয় অন্তত পরিষ্কার যে লোকসানের কারণগুলো সরকার নিজেও জানতো এবং জেনেশুনেই এর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। তাই একে পরিকল্পিত লোকসান হিসেবেই দেখতে হবে। পাটশিল্পের লোকসান কেন হয়েছে এ সংক্রান্ত যেসব গবেষণা হয়েছে তাতে বার বার লোকসানের যে কারণগুলো উন্মোচিত হয়েছে সেগুলো দীর্ঘ ৪০ বছরেও সমাধান করা হয়নি। সরকার যথাসময়ে অর্থবরাদ্দ না দেওয়ায় এই পাটকলগুলোকে বিলম্বে অনেক বেশি দামে কাঁচা পাট ক্রয় করতে হয়, ক্রয়ের লক্ষমাত্রা থেকে কম পাট কেনায় পাটকলগুলোর সক্ষমতার পুরোটা ব্যবহৃত হয় না এবং উৎপাদনও হয় সক্ষমতার ও লক্ষমাত্রার চাইতে অনেক কম। এভাবে বছর বছর লোকসানের পাল্লা ভারী করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুসারে মেশিনপত্র আধুনিকায়নে বিনিয়োগ করলে যেখানে উৎপাদন বাড়ানো যেত সেই পথে না হেঁটে সরকার বিভিন্ন সময়ে কারখানা বন্ধ রাখা, মজুরি না দেওয়া, বারবার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ইত্যাদির মধ্য দিয়ে অচলাবস্থা তৈরি করেছে।

যেখানে পাটজাত পণ্যে বৈচিত্র্য আনার বাস্তব চাহিদা আছে, সেখানে যন্ত্রপাতি নবায়ন, পাট গবেষণার ফলাফল ব্যবহারের কোনো উদ্যোগই গ্রহণ করা হয়নি। বিগত দশকে যখন সারা পৃথিবীতে প্লাস্টিক সামগ্রীর বিপরীতে পরিবেশ-বান্ধব পাটজাত দ্রব্যের চাহিদা বৃদ্ধি পেতে থাকে তখন রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও তা কাজে লাগানো হয়নি, বরং তাদের আয় কমে যায়। এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে বিজেএমসি, মিল ব্যবস্থাপনা, ও ট্রেড ইউনিয়ন পরিচালনা সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতিবাজদের আধিপত্য, যার কারণে সময়মত কাঁচা পাট ক্রয়ে গাফিলতি ও উচ্চমূল্যে ক্রয়ের মত ঘটনা ঘটে। এরা সকলেই পাটকলের লোকসানের সুবিধাভোগী। সেজন্য পরিকল্পিতভাবেই এই লোকসানকে বছরের পর বছর জিইয়ে রাখা হয়েছে।

জবাবদিহিতাহীন ও অব্যবস্থাপনায় জর্জরিত এই পাটখাতের উদ্ধারকর্তা হিসাবে বিশ্বব্যাংকের ঋণ নিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯৪ সালে। বিশ্বব্যাংক ঋণে পরিচালিত এই উন্নয়ন কর্মসূচিতে পাটশিল্প নবায়ন, বৈচিত্র্যকরণ বা সম্প্রসারণের কোনো কর্মসূচিই ছিল না; ছিল ঋণের টাকায় শিল্প বন্ধ ও শ্রমিক ছাঁটাইএর কর্মসূচি। সেই মোতাবেক এরপর যত সরকার এসেছে সবাই রাষ্ট্রায়ত্ত পাটশিল্পকে ক্রমান্বয়ে সংকুচিত করেছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর হাতে জমি আছে অনেক। রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প অচল করে বন্ধ করার পেছনে সরকার ঘনিষ্ঠ প্রভাবশালীদের মধ্যে এই জমি বিতরণের সম্পর্ক আছে বলে আমরা মনে করি। গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের জন্য সরকার ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। অথচ এর অনেক কম টাকা দিয়ে এই কারখানাগুলোর উৎপাদনশীলতা বাড়ানো ও তাদেরকে লাভজনক করা সম্ভব ছিল। আর শ্রমিকদের সকল পাওনা পরিশোধের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তা অতীতের অসংখ্য প্রতারণার কারণে কতটা বাস্তবায়ন হবে তা নিয়ে আমরা সন্দিহান।

করোনাকালে কর্মহীন হয়ে যাওয়া বিশেষ দক্ষতা সম্পন্ন এই শ্রমিকেরা যখন কর্মহীন হয়ে যাবেন তারা জানবেন না কবে নতুন করে পাটকল খুলবে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় কিংবা পিপিপি এর মাধ্যমে এ পাটকলগুলোর কোনটি কোনটি খুললেও সকলেই কাজ পাবেন এমন কোন নিশ্চয়তা নেই, বেতন ভাতাও অনেক কমে যাবে। এছাড়া পাটকলগুলোর ২৫ হাজার স্থায়ি শ্রমিকের বাইরেও রয়েছে বিপুল সংখ্যক দৈনিক ভিত্তিতে কাজ করা শ্রমিক, তারাও কোনরকম গোল্ডেন হ্যাণ্ডশেক ছাড়াই কাজ হারিয়ে পথে বসবে। এতগুলো পরিবারকে অনিশ্চয়তায় ফেলে দিয়ে সরকারের এই সিদ্ধান্ত কখনোই জনবান্ধব হতে পারে না। এই চেষ্টাতে যেমন পাটকল শ্রমিকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তেমনি পাট উৎপাদনকারী কৃষকেরাও অল্প দামে পাট বিক্রয় করতে বাধ্য হবার সম্ভাবনাও বাড়বে, যেহেতু এর ফলে বেসরকারি পাটকলগুলো সিণ্ডিকেট তৈরির মাধ্যমে কাঁচা পাটের বাজার নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পেয়ে যাবে।

করোনাকালে যখন পরিবেশ-বান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠার তাগিদ বাড়ছে তখন সরকার পরিবেশ-বান্ধব পাটশিল্প সংকুচিত করে পরিবেশ-বিধ্বংসী শিল্প প্রতিষ্ঠার পেছনে বিশাল বাজেট বরাদ্দ করছে। অর্থনৈতিক মন্দা থেকে উত্তরণের জন্য সারা পৃথিবী যখন কর্মসংস্থান তৈরির দিকে মনোযোগ দিয়েছে তখন বাংলাদেশ সরকার ঠিক এই সময়ে প্রত্যক্ষ শ্রমিক প্রায় ২৫ হাজার এবং পরোক্ষ আরও ২৫ হাজার শ্রমিক এবং তাদের পরিবারকে কর্মহীন করে উলটোপথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এতগুলো শ্রমিকের জীবনের সাথে জড়িয়ে রয়েছে তাদের পরিবারের খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ও বাসস্থানের ঝুঁকি। এই ধরনের সিদ্ধান্ত শুধু পাটখাতের জন্য আত্মঘাতী নয়, বরং এই মুহুর্তে যখন রপ্তানি ঝুঁকিতে নিমজ্জিত হয়ে রয়েছে দেশ তখন এমন সিদ্ধান্ত আমাদের অর্থনীতির জন্যও আত্মঘাতী।

সার্বিক বিবেচনায় আমাদের দাবি:

১। রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোকে অবিলম্বে চালুর আদেশ দেয়া হোক;

২। শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি পরিশোধ করা হোক ও তাদের করোনা ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হোক;

৩। সময়মত পাট কিনে, দুর্নীতি ও অপচয় বন্ধ করে এবং পাটকলগুলোর ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের মাধ্যমে লোকসান কমানো হোক। পাটকলগুলোকে আধুনিকায়ন ও বহুমুখিকরণের মাধ্যমে উৎপাদনক্ষমতা বৃদ্ধি করা হোক;

৪। গত কয়েক দশক ধরে লোকসানের অজুহাত দিয়ে একের পর এক পাটকল বন্ধ বা বেসরকারিকরণ করা হয়েছে, কিন্তু লোকসানের জন্য দায়ী মন্ত্রী, আমলা, ও কর্মকর্তাদের সনাক্ত করে বিচার করা হয়নি। আমরা সেজন্য লোকসান ও দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং অপরাধীদের শাস্তি দাবি করি।

এই বিবৃতির জন্যে ডিজিটাল স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে। বিবৃতির বক্তব্য ও দাবিনামার সাথে একমত হয়ে যারা স্বাক্ষর করেছেন সেই ১৫৯ জনের নাম ও পরিচয় নিচে দেয়া হলো

1      মোশাহিদা সুলতানা, সহযোগী অধ্যাপক, একাউন্টিং বিভাগ , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
2      মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান, অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
3      আনু মুহাম্মদ, অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
4      বীথি ঘোষ, সংস্কৃতিকর্মী, সমগীত
5      সায়েমা খাতুন, সহযোগী অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
6      অমল আকাশ, শিল্পী ও সংগঠক, সমগীত
7      সামিনা লুৎফা, শিক্ষক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
8      শুভ সাহা, স্ট্রাকচারাল সেইফটি ইঞ্জিনিয়ার, আরএসসি
9      পাভেল পার্থ, গবেষক ও লেখক
10     অনুপম সৈকত শান্ত, লেখক ও গবেষক
11      মাহা মির্জা, লেখক ও গবেষক
12     জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, আইনজীবি, বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট
13     খুশী কবির, সমাজ সংগঠক
14     আহমেদুর রশীদ চৌধুরী, সম্পাদক ও প্রকাশক, শুদ্ধস্বর
15     ড. আখতার সোবহান মাসরুর, সদস্য সচিব, তেল -গ্যাস ও জাতীয় সম্পদ রক্ষা কমিটি, যুক্তরাজ্য শাখা
16     পারভেজ আলম, লেখক ও রাজনৈতিক কর্মী
17     সৌভিক রেজা, অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
18     আ-আল মামুন, শিক্ষক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
19     স্বপন আদনান, প্রফেসরিয়াল রিসার্চ এসোশিয়েট, সোয়াস, ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন
20     অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
21     রাজেকুজ্জামান রতন, সদস্য, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাসদ
22     সারা হোসেন, আইনজীবি
23     ইরতিশাদ আহমদ, ইমেরিটাস প্রফেসর, ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
24     খোইরোম কামেশ্বর, প্রকৌশলী
25     রঞ্জন কুমার দে, সম্পাদক, bangladarpan.com
26     ওয়াকিলুর রহমান , চিত্রশিল্পী
27     অরূপ রাহী, লেখক, সঙ্গীতশিল্পী
28     রাসেল রাজু, ফোকলোর বিষয়ে মাস্টার্স অধ্যয়নরত, ইউনিভার্সিটি অব তার্তু, এস্তোনিয়া
29     মাহবুব আলম রুবেল, সম্পাদক, krantikal.com
30     রুহুল আমিন, সংগঠক, শ্রমিক-ছাত্র-জনতা ঐক্য , খুলনা
31     সুজিত চৌধুরী, অর্থনীতিবিদ, বিবিএফ
32     ফিরোজ আহমেদ, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য, গণসংহতি আন্দোলন
33     সাদাফ নূর, শিক্ষক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
34     মাহমুদুল সুমন, অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
35     কল্লোল মোস্তফা, প্রকৌশলী, লেখক
36     অরূপ রাহী, লেখক, সঙ্গীতশিল্পী
37     নুসরাত চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক, নৃবিজ্ঞান, অ্যাামহার্স্ট কলেজ, যুক্তরাষ্ট্র
38     ডা মো হারুন_অর-রশিদ , চিকিৎসক
39     মেহ্জাবীন  রহমান, শিক্ষক ও  এক্টিভিস্ট
40     জহিরুল ইসলাম, সভাপতি,বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন
41     হানা শামস আহমেদ, পি এইচ ডি গবেষক, ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়, কানাডা
42     নাসরিন খন্দকার , শিক্ষক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
43     মিজানুর রহমান, জনস্বার্থ কর্মী ও সর্বজনকথা
44     সহুল আহমদ, লেখক ও রাজনৈতিক কর্মী
45     আলতাফ হোসেন রাসেল, সহকারী অধ্যাপক, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
46     নাজনীন শিফা, পি এইচ ডি গবেষক, জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়
47     ফয়জুল হাকিম, সম্পাদক , জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম সংগঠনী কাউন্সিল ( জাতীয় মুক্তিকাউন্সিল)
48     মাশরুর ইমতিয়াজ, শিক্ষক, ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
49     তাহমিদাল জামি, ইতিহাস গবেষক
50     জোবায়েন সন্ধি, নির্বাসিত লেখক, পেন স্কলার, সম্পাদক অংশুমালী
51     ইমতিয়ার শামীম, লেখক, সাংবাদিক
52     সারোয়ার তুষার, সদস্য, রাষ্ট্রচিন্তা
53     আতিয়া ফেরদৌসী, পিএইচডি শিক্ষার্থী
54     ড. ফরিদ খান, সহযোগী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
55     মোহাম্মদ মামুন চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক, মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
56     অনিন্দ্য বড়াল অর্ক, শিক্ষার্থী, ২য় বর্ষ, অর্থনীতি বিভাগ, জাবি
57     আসমা আক্তার, সভাপতি, গৃহকর্মী অধিকার রক্ষা কমিটি
58     সেকেন্দার আলী মিনা, নির্বাহী পরিচালক, সেইফটি এন্ড রাইটস সোসাইটি
59     আনিসুর রহমান, বাংলাদেশী ব্লগার, কলামিস্ট ও মানবাধিকার কর্মী বাগেরহাট জেলার মোডেলগঞ্জ থানায় জন্ম
60     মাকসুদা সুলতানা পিএইচ ডি গবেষক
61     মোস্তাকিম বিল্লাহ মাসুম, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
62     শফি উদ্দিন কবির আবিদ, সদস্যসচিব,বাসদ(মার্কসবাদী),চট্টগ্রাম জেলা; আইনবিষয়ক সম্পাদক,বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন,কেন্দ্রীয় কমিটি
63     ডা আজিজুল করিম , ডাক্তার , মেলবোর্ন , অষ্ট্রেলিয়া
64     জয়দীপ ভট্টাচার্য, সংগঠক, হেলথ্ সা‌র্ভিস ফোরাম
65     মাইদুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক, সমাজতত্ত্ব বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
66     আমীর আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক , বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন (টাফ)
67     মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক, ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগ, মাভাবিপ্রবি, সন্তোষ, টাঙাইল
68     রাফসান আহমেদ, সাংস্কৃতিক কর্মী ও স্বাধীন গবেষক
69     মোঃ শাহিন মিয়া, শিক্ষার্থী, শাবিপ্রবি, সিলেট
70     জামাল খান, ছাত্র, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
71     আরিফুল ইসলাম, শিক্ষার্থী, শাবিপ্রবি
72     জসীম উদ্দীন, সদস্য, বাসদ [মার্ক্সবাদী ] ফেনী
73     গোপাল মজুমদার, সম্পাদক, Alapon.com.bd
74     দিলীপ রায়, সাধারণ সম্পাদক, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী
75     লাকী আক্তার, নির্বাহী সদস্য, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি
76     আতাউল হক চৌধুরী, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
77     নাজমুল মিলন, শিক্ষার্থী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
78     নাঈম সিনহা, সাংবাদিক
79     কৌশিক আহমেদ, ব্লগার ও অ্যাকটিভিস্ট
80     মো: ইমদাদুল হক খান, পিএইচডি গবেষক, ইউনিভার্সিটি অফ মিসিসিপি, যুক্তরাষ্ট্র
81     মাসুদ রানা, সভাপতি,সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, কেন্দ্রীয় কমিটি
82     রাশেদ শাহরিয়ার, সাধারণ সম্পাদক,সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট
83     জহিরুল ইসলাম, সভাপতি,বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন
84     আফরিনা আক্তার, ফ্রি ল্যান্সার সিনেমাটোগ্রাফার
85     ফেরদৌস আহমেদ উজ্জল, সাবেক সভাপতি , বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন সম্পাদক. পরিবেশ বার্তা
86     ফখরুদ্দিন কবির আতিক, সদস্য, কেন্দ্রীয় কার্যপরিচালনা কমিটি, বাসদ(মার্ক্সবাদী)
87     জাহেদুল ইসলাম অপূর্ব, শিক্ষার্থী, অর্থনীতি বিভাগ, শাবিপ্রবি
88     বাধণ অধিকারী, সহঃ বার্তা সম্পাদক, বাংলা ট্রিবিউন
89     মমিনুর রহমান মমিন, কেন্দ্রীয় সদস্য, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরাম
90     ফারিয়া ফাইরুজ, নৃবিজ্ঞান শিক্ষার্থী, সাস্ট
91     তাহসিন মাহমুদ, সম্পাদক, রোর বাংলা
92     দেবাশীষ ভট্টাচার্য, একজন আত্ম নিয়োজিত শিক্ষক
93     সংঘ মিত্রা, শিক্ষার্থী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
94     ফাহিম আহমদ চৌধুরী , ছাত্র, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
95     অপু দাশগুপ্ত, সভাপতি,বাংলাদেশ শ্রমিক কর্মচারি ফেডারেশন,চট্রগ্রাম জেলা
96     চারু হক, গবেষক, লেখক
97     গোলাম মুর্শেদ, ট্রাস্টি, বাংলাদেশ শ্রম ইনস্টিটিউট (বাশি)
98     রোজীনা বেগম, গবেষক, দৃক
99     মোশাররফ হোসেন নান্নু , সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশের ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, কেন্দ্রীয় কমিটি
100 সাইফুল আলম, পানি সম্পদ বিশেষজ্ঞ, (আই, ডাবলু, এম), ডিও এইচ এস
101 আফসানা বিনতে আমিন, মানবাধিকার কর্মী
102 আমিরুন নূজহাত মনীষা , সাংগঠনিক সম্পাদক, বিবর্তন সাংস্কৃতিক কেন্দ্র
103 ছায়েদুল হক নিশান, সংগঠক, ফাইট ফর রাইটস
104 ইকবাল কবীর, সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী
105 আরিফ রেজা মাহমুদ, সদস্য, অরাজ নেটওয়ার্ক
106 নাজিম উদ্দিন, বিজ্ঞানী, যাইমারজেন ইনক, এমেরিভিল, ক্যালিফোর্ণিয়া
107 আবিদা ফেরদৌসী , শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
108 অনুপ কুন্ডু, বাংলাদেশ ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, সদস্য, ঢাকা নগর কমিটি
109 আতিফ অনিক, সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন
110 সুবল কান্তি দে, ছাত্র, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগন্জ
111 সুমাইয়া বিনতে সেলিম , শিক্ষার্থী, শাবিপ্রবি, সদস্য, রাষ্ট্রচিন্তা
112 আদিত্য বর্মণ, সভাপতি, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, রাজশাহী (মহানগর)
113 আজম খান বাবু, সদস্য, বাংলাদেশ কৃষক খেতমজুর সমিতি
114 জাফর ইকবাল, পেনসিলভানিয়া ষ্টেট ইউনিভার্সিটি এর সেন্টার ফর গ্লোবাল ওয়ার্কার্স রাইটস এর ছাত্র ও গবেষণা সহকারি
115 তানভীর আকন্দ, শিক্ষার্থী, একটিভিস্ট, শাবিপ্রবি
116 মেহেদী হাসান , ইঞ্জিনিয়ার, ক্যালিফোর্নিয়া, আমেরিকা
117 নাঈমুল ইসলাম, ছাত্র, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
118 হেমায়েত কবির, আহ্বায়ক, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
119 তাসীন মল্লিক, বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
120 মিজানুর রহমান , বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী
121 মোল্লা হারুন, রাজনৈতিক কর্মী এবং অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক, ধামরাই হারডিঞ্জ হাই স্কুল,ঢাকা
122 মনজুরুল হক, লেখক, সাংবাদিক, আহবায়ক স্তালিন সোসাইটি বাংলাদেশ
123 মোকাররম হোসেন , শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
124 মাহির শাহরিয়ার রেজা , ক্রীড়া সম্পাদক, কেন্দ্রীয় সংসদ, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
125 রনজু হাসান, সাধারণ সম্পাদক , বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
126 রাহুল বিশ্বাস , গল্পকার ও প্রবন্ধকার
127 শাফিন আহমেদ , ব্যাবসায়ী
128 কামরুস সালাম সংসদ, শিক্ষা ও উন্নয়ন কর্মী / সাবেক সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
129 শামীম ইমাম, আহ্বায়ক, জাতীয় গণতান্ত্রিক শ্রমিক ফেডারেশন
130 নিশাত তাসনিম, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
131 আবু নাসের অনীক , সাধারণ সম্পাদক, জাতীয় যুব পরিষদ
132 মঞ্জুরুল মিঠু, ছাত্র, আইন বিভাগ, গণ বিশ্ববিদ্যালয়
133 বদিউজ্জামান বাদল, সভাপতি, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি, দিনাজপুর
134 লোপা ভৌমিক, বাংলাদেশের নাগরিক
135 মনজুরুল হক, লেখক, সাংবাদিক, আহবায়ক-স্তালিন সোসাইটি বাংলাদেশ
136 মো: আব্দুল কাদের শেখ , সদস্য, বাংলাদেশের ইউনাইটেড কমিউনিস্টলীগ, রাজবাড়ি জেলা
137 এ, এস, এম, মনিরুজ্জামান , সদস্য, বাসদ(মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় পাঠচক্র ফোরাম
138 আবু মুসা ইফতেখার , স্থপতি
139 আলমগীর কবীর, চলচ্চিত্র কর্মী
140 মাজহারুল ইসলাম খান, একাউন্টস এক্সিকিউটিভ, ই-ল ইন্টারন্যাশনাল
141 ঋদ্ধ অনিন্দ্য গাঙ্গুলী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ছাত্র ইউনিয়ন, জাবি সংসদ
142 উলুল অন্তর, শিক্ষার্থী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
143 ফাতেমা বেগম, গবেষক
144 নিশাত তাসনিম, শিক্ষার্থী, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
145 আব্দুল মমিন, অফিস ও দপ্তর সম্পাদক, বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন
146 সৌরদীপ দাসগুপ্ত, সংস্কৃতিকর্মী
147 মীর মোনাজ হক, প্রকৌশলী
148 ইশতিয়াক, গণমাধ্যমকর্মী
149 পংকজনাথ সূর্য, সাধারণ সম্পাদক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ফেনী শাখা
150 জাহিদ কবীর হিমন, জার্মানির বার্লিনে আছি, চাকরি করছি
151 অলি আহমেদ, ছাত্র-গবেষক
152 পূরবী তালুকদার, এক্টিভিস্ট
153 ফাতেমা বেগম, গবেষক
154 রোমেল রহমান, কবি
155 শামসুল আলম, প্রকৌশলী
156 খালিদ হাসান আলো , চাকুরিজীবী ঝিনাইদহ
157 মোঃ নজরুল ইসলাম , জার্মান প্রবাসী
158 শুভ , চলচ্চিত্রকর্মী
159 মুসা মিয়া, সাংবাদিক

——————————————————————————–

অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম প্রশ্নে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের পর্যবেক্ষণ ও প্রস্তাব

০২ জুলাই ২০২০, অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত লিখিত বক্তব্য

) মহামারীর কবলে বিপর্যস্ত উচ্চশিক্ষা পরিস্থিতি

কোভিড ১৯ মহামারীর বৈশ্বিক বিস্তারের ফলে চলতি বছরের মধ্য মার্চ থেকে বিগত সাড়ে তিনমাস ধরে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম আক্ষরিক অর্থে বন্ধ রয়েছে। তবে এপ্রিল মাস থেকে ইউজিসি থেকে ‘অনলাইন-ক্লাস’ চালুর জন্য কিছু জরিপ কার্যক্রম লক্ষ্ করা গেলেও বিশ্ববিদ্যালয় সম্পূর্ণ খুলবার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বা সমন্বিত নির্দেশনা এখনো আসেনি। অথচ বিভিন্ন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন শিক্ষা-কার্যক্রম শুরু, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ‘অনলাইন-ক্লাস’ চালু ও তার প্রতিক্রিয়ার শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, এবং বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনাকালে ‘অনলাইন-শিক্ষা’কে একটি আপৎকালিন ব্যবস্থা হিসেবে শুরু করার নানা উদাহরণ ও উদ্যোগ  থাকায় ‘অনলাইন-ক্লাস’ আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।

পাঠদান ও পরীক্ষা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যেহেতু সেশন জ্যাম ও নানা সংকটে পড়ার আশঙ্কায় পড়েছে সমগ্র শিক্ষাঙ্গন, সেহেতু  শিক্ষা-জীবন পুনরুদ্ধার করার জন্য আপৎকালীন ব্যবস্থা হিসাবে বিশেষ অনলাইন শিক্ষা-কার্যক্রম চালু করা একটি সম্ভাব্য উপায় হতে পারে । তবে অপরিকল্পিত, অপ্রস্তুত, ও বৈষম্যমূলক পন্থায় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে তা চালুর চেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য আত্মঘাতী হবে। তাই এসব শুরুর আগে আমাদের প্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের বাস্তব অসুবিধার কথা বিবেচনা করতে হবে।

এ উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক বিগত ২৭ শে জুন একটি ওয়েবিনারের আয়োজন করে। এই ওয়েবিনারে অংশ নেন বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, জগন্নাথ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ-সাউথ, ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ । এছাড়াও শাবিপ্রবি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন এ ওয়েবিনারে।  পরবর্তী কয়েকটি সভায় নানা পর্যায়ে যুক্ত হন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও জাপান থেকে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশী শিক্ষক। পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা বিবেচনায়  আমরা মনে করি, যেকোনো অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নের আগে নতুন প্রযুক্তির জ্ঞানজাগতিক একাডেমিক ব্যবহার সম্পর্কে উপযুক্ত ধারণা অর্জন, বাংলাদেশের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর প্রতিবন্ধকতা পূর্বশর্তগুলো চিহ্নিত করা, এবং সে অনুযায়ী প্রতিকার পদক্ষেপ নেওয়ার পরেই  কেবল অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমে যাওয়া যেতে পারে।

) ‘অনলাইনশিক্ষার প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবন্ধকতাসমূহ

২.১) বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত যেকোনো শিক্ষা-কার্যক্রমের একটি অলঙ্ঘনীয় ও মৌলিক পূর্বশর্ত হচ্ছে সেখানে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণের সমান সুযোগ থাকতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ন্যূনতম কোন বৈষম্য তৈরী করে এমন শিক্ষা-কার্যক্রম পরিচালনার নৈতিক অধিকার কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরই নেই। এধরণের প্রয়াসমাত্রই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের দৃষ্টিভঙ্গী থেকে ‘শিক্ষা অধিকারে’র সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অনলাইনে ক্লাস শুরু করলে বৈষম্য অবশ্যম্ভাবী আকারে দেখা দিবে।

২.২) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রযুক্তিগত অবকাঠামো ও সক্ষমতা আজও  অনলাইন কার্যক্রম চালানোর ন্যূনতম পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি।  যেমন, সাধারণ একাডেমিক এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ডিজিটাল সক্ষমতা ও দক্ষতা নিম্ন পর্যায়ের। এখানে পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট, শিক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল ও লিস্ট-সার্ভ, ই-রিসোর্স বা ই-লাইব্রেরীর তেমন কোনো অস্তিত্বই নেই।

২.৪) বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ‘অন-ক্যাম্পাস’ কোর্সগুলোতেই পূর্ণাঙ্গ কারিকুলামের ব্যবহার যেখানে সীমিত সেখানে ‘অনলাইন’ কোর্সের জন্য বিশেষায়িত কারিকুলাম তৈরী ও বাস্তবায়নের কোনো বাস্তব ভিত্তি এখন অব্দি নেই। কারিকুলাম ও একাডেমিক প্রক্রিয়ার পর্যালোচনা ও পূনর্বিন্যাস না করে কোন ইন্টারনেটনির্ভর শিক্ষণ কার্যক্রমে যাওয়ার চেষ্টা বিদ্যাগত বা পেডাগোজিক্যালি গ্রহণযোগ্য নয়। এবিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে করোনার দুর্যোগকালীন বিশেষ একাডেমিক ক্যালেন্ডার তৈরি করে সে সময় সীমার মধ্যে শেখানো সম্ভব এমন কারিকুলাম ও সিলেবাস দরকার, যার কোনো অস্তিত্ব নেই।

২.৬) বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক অধ্যাদেশ, কারিকুলাম, শিক্ষা ও পরীক্ষা সংক্রান্ত বিধিসমূহ অনলাইন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে নানা অন্তরায় হিসেবে দেখা দিয়েছে । নীতিগত সংস্কারের কোনো উদ্যোগও এখনো দেখা যায়নি।

২.৭) বিগত মার্চ থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর এই প্রতিবন্ধকতাগুলো উত্তরণে নিজস্ব কোনো পদক্ষেপ আমরা দেখতে পাইনি। ইউজিসি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকা এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে কোনোরকম প্রস্তুতি ছাড়াই কেবল প্রশাসনিক আদেশে ‘অনলাইন-ক্লাস’ চালু করবার চেষ্টা আমাদের উদ্বিগ্ন করেছে।

২.৮)    বিভাগ পর্যায়ের বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে, কারিকুলাম, পাঠদান, ক্যালেন্ডার, ব্যবহারিক কোর্স, ও পরীক্ষা বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা বা পরিকল্পনা নেই কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের। কেবল অস্পষ্ট দাপ্তরিক আদেশ দিয়ে ‘অনলাইন-ক্লাস’ চালুর প্রচেষ্টাকে নিয়ে আমরা সন্দিহান যে  বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের রাজনৈতিক আনুগত্য ও ফায়দা হাসিলের জন্য তাড়াহুড়ো করে লোকদেখানো ‘অনলাইন ক্লাস’ শুরু  হবে এবং শিক্ষার্থীদের মহামারী বিপর্যস্ত জীবনে আরো মারাত্মক সমস্যার জন্ম দিবে।

২.৯) আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে ইউজিসি কর্তৃক শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে জরিপ চালিয়ে নানা নীতি-নির্ধারণের প্রচেষ্টা চলছে, যেখানে বিভিন্ন সূত্রে জানা তথ্য ও অভিজ্ঞতায় দেখা যাচ্ছে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর এই অনলাইন জরিপে অংশগ্রহণের কোনো উপায়ই নেই, বা জরীপের প্রশ্নের মধ্যে নানান ফাঁক রয়েছে। শুধু অনলাইনে থাকতে পারা শিক্ষার্থীদের মাঝে জরিপ চালিয়ে কীভাবে ‘অনলাইন-ক্লাসে’ যুক্ত হওয়ার সক্ষমতা যাচাই হতে পারে তা আমাদের বোধগম্য নয়।

২.১০)   শীর্ষস্থানীয় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্যাম্পাস-ভিত্তিক ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা বেশি থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে অনলাইন শিক্ষাক্রম চালু করে  সন্তানদের শিক্ষায় বিপুল পরিমাণ অর্থ-বিনিয়োগ করা মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে আরো বেশি অর্থনৈতিক চাপে পড়েছে। একই কারণে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকুরির অনিশ্চয়তা আরো বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষকরাও নানা চাপের মুখে বাধ্য হয়ে শিক্ষার গুণগত মান বিসর্জন দিচ্ছেন।

) শিক্ষার্থীদের পরিস্থিতি প্রতিবন্ধকতাসমূহ

কোভিড ১৯ সংক্রমণরোধে সামগ্রিক ব্যর্থতা, তার ফলে দেশের আগে থেকেই জরাজীর্ণ স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থার নিদারুণ বিপর্যয়, বিনা-চিকিৎসায় মৃত্যুর ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি, সামগ্রিক অর্থনৈতিক বিপর্যয়, এবং রাজনৈতিক দমন-নিপীড়ণের কারণে বাংলাদেশের আপামর জনগোষ্ঠীর সাথে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরাও একটি ভয়াবহ সময় পার করছে।  ইতোমধ্যে  অনলাইন শিক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর আত্মহননের মত ঘটনাও ঘটেছে। কাজেই, বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক, স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর অনলাইন কার্যক্রমে যুক্ত হবার সক্ষমতা যাচাই, তাদের আর্থ সামাজিক অবস্থা এবং জীবনের ঝুঁকি বিবেচনায় নিতে হবে। নাহলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন বৈষম্য সৃষ্টি ও এবং অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে থাকা পরিবারের শিক্ষার্থীদের ‘ঝরে পড়ার’ সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। এ প্রসঙ্গে আমরা কিছু বিষয়ে আপনাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাই:

৩.১) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন গত ২৩ মার্চ তারিখে একটি চিঠিতে সকল প্রাইভেট ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে অনলাইন ক্লাসে যাবার পরামর্শ দেয়।  প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনলাইন ক্লাসে গেলেও পাব্লিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আগ্রহ দেখায়নি অবকাঠামোর অসুবিধা দেখিয়ে। ইউজিসির জরিপে জানা যায় যে ৮৫% এর কাছে ইন্টারনেট ব্যবহার করার মত ডিভাইস আছে। অর্থাৎ, বিদ্যমান অবকাঠামোয় শিক্ষার্থীদের ১৫ শতাংশের হাতে অনলাইন কার্যক্রমে যুক্ত হবার মত প্রযুক্তি নেই যা ২.১ এ বর্ণিত সকল শিক্ষার্থীর অভিগম্যতার শর্ত ভঙ্গ করে।

৩.২) একটি বড় অংশের শিক্ষার্থীদের তথ্য-প্রযুক্তিগত দক্ষতাও নানাকারণে নিদারুণ অপর্যাপ্ত। প্রযুক্তিগত মাধ্যমের পরিবেশে যাদের অভ্যস্ততা কম তেমন শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম কষ্টসাধ্য ও ক্লান্তিকর হয়ে উঠতে পারে এবং শিক্ষাগ্রহণের পর্য়ায়ে বৈষম্য থেকে যাবে।

৩.৩) মহামারীর কারণে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই বাড়ি ফিরে গেছে এবং প্রান্তিক স্থানে উপযুক্ত ইন্টারনেট সংযোগ নেই, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিচ্ছিন্ন তাদের নতুন করে কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন কেনার সামর্থ্য নেই। ইন্টারনেট সেবার অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং তা শিক্ষার্থীদের কাছে বিনামূল্যে পৌঁছানো ছাড়া শিক্ষাকে অনলাইনে নিয়ে গেলে তা শ্রেণিভেদে এবং গ্রাম-শহরভেদে নতুন ধরনের বৈষম্যের সৃষ্টি করবে।

৩.৪) শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ টিউশনি বা নানা ধরনের খণ্ডকালীন কাজের মাধ্যমে নিজের পড়ার খরচ যোগায়, অনেকে নিজ পরিবারেও অর্থনৈতিক অবদান রাখে। মহামারীর কারণে শিক্ষার্থীদের এই উপার্জনের সুযোগ প্রায় পুরোপুরিই বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক বিভাগ এবং বিশ্ববিদ্যালয় কমিউনিটি তাদের চরম সংকটে পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও অনেক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ই ফি আদায়সহ শিক্ষার্থীদের জন্য আর্থিক চাপ অব্যাহত রেখেছে।

৩.৫) অপরিকল্পিত লকডাউন বা ছুটির কারণে অনেক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস ছাত্রাবাস বা অন্য আবাসস্থলেই তাদের বইপত্রসহ অন্য শিক্ষা উপকরণ ফেলে রেখে বাড়ি গিয়ে সেখানেই আটকা পড়েছেন।

৩.৬) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বিভাগের ২০০ জনের একটি ক্লাসের জরিপে দেখা যাচ্ছে যে ৪০ জন শিক্ষার্থীরই অনলাইন ক্লাসে অংশ নেবার মতো ডিভাইস বা ইন্টারনেট কেনার মত অর্থ নেই। অনুমান করা যেতে পারে যে সারাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে এই অনুপাতটি আরো বেশি হবে। অথচ দুর্যোগের মাঝেও নতুন অর্থবছরের বাজেটে মোবাইল পরিসেবায় কর বৃদ্ধির ফলে মোবাইল ইন্টারনেট আরো দামী হয়ে উঠেছে যা আরো বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।

৩.৭) কেবল ‘স্মার্ট’ মোবাইল ফোন থাকাকেই শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে ‘অনলাইন ক্লাসে’ যোগ দেয়ার সক্ষমতা হিসেবে ধরে নেয়া হয়েছে। এই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গী একদিকে যেমন ‘উচ্চ-শিক্ষা’র জ্ঞান-জাগতিক ব্যাপ্তিকে ছোট করে ফেলে।

৩.৮) ইন্টারনেটের উচ্চমূল্য ছাড়াও অনেক ভৌগলিক ও অর্থনৈতিকভাবে প্রান্তিক জেলায় ইন্টারনেটের বিস্তৃতি এবং গতি দুই-ই খুব সীমিত। এমন পরিস্থিতিতে বিডিরেনের ফ্রি জুম মিটিং এ তাদের প্রযুক্তি বৃত্তি বা সংযোগ বা ডিভাইস দিয়ে যুক্ত করার চেষ্টা করা হলেও অনেকের পক্ষে কাগজে-কলমের ৪জি কানেকশন থেকেও জুমে সংযুক্ত থাকার মতো ব্যন্ডউইডথ থাকবে না। জুমের জন্য বেশি গতির ইন্টারনেট কিনেও হয়তো অনেক শিক্ষার্থিই ক্লাসে যুক্ত থাকতে পারবেন না ।

৩.৯) অনেক এলাকায় বাসায় নেটওয়ার্ক দুর্বল হওয়ায় বাড়ি থেকে দূরে, রাস্তায় বা মাঠে, বা বাজার বা থানা সদরে গিয়ে সংযোগ পেতে হয়। এরকম স্থানে শিক্ষার্থীর পক্ষে ক্লাসের পাঠে মনঃসংযোগ করার মত পরিবেশও থাকবে না যা বৈষম্য বাড়াবে।

৩.১০) বিশেষত নারী শিক্ষার্থীদের এ পরিস্থিতিতে ক্ষতির শিকার হতে হবে বেশি যা শিক্ষাঅর্জনে লিঙ্গ বৈষম্য বাড়াবে। সাংস্কৃতিক কারণে নারীদের সীমিত ইন্টারনেট-অভিগম্যতা, করোনাকালে নারীর বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হার নতুন করে বৈষম্য তৈরি করতে পারে।

৩.১১)   বিদ্যুৎ বিভ্রাট কোনো কোনো এলাকায় নিয়মিত এবং লম্বা সময় ধরে চলে যার কারণে অনেক শিক্ষার্থী ডিভাইস চার্জ দেবার মত বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগও করেছেন।

৩.১২)   করোনাকালে আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের অনলাইন ক্লাস বাড়তি চাপ হয়ে যাবে। ইতোমধ্যে অনেক শিক্ষকই ভীতিকর পরিস্থিতিতে থাকা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এই ধরনের অভিব্যক্তির মুখোমুখি হয়েছেন।

৩.১৩)  পরীক্ষা প্রক্রিয়া বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা না থাকার কারণে এমনকি প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও আর্থিক সংগতি থাকা শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণের উদ্দীপনা পাবে না।

৩.১৪)   প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস চলছে বিধায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে যাচ্ছে বলে একটা ভয় তৈরী হয়েছে। অথচ পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে প্রাইভেটের শিক্ষার্থীদের অনেকেই নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসে। এবং তাদের খরচও অনেক বেশি। উভয় ক্ষেত্রেই শিক্ষার্থীদের অনেককেই এখনো বাসা ভাড়া গুনতে হচ্ছে।

৩.১৫) ইতোমধ্যে অনলাইন ক্লাসে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ঘাটতির কারণে টাকা খরচ করে ক্লাস করেও তাদের কোনো লাভ হয় না।

৩.১৬) স্টাডি সার্কেল বা গ্রুপ ডিস্কাশনের মত ‘সতীর্থ শিক্ষণ’ বা ‘পিয়ার লার্নিং’ এর সুযোগ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের শেখার একটি মৌলিক উপায় অকার্যকর হয়ে আছে।

) শিক্ষকদের প্রতিবন্ধকতাসমূহ 

মহামারীর এই সময়ে চিকিৎসাহীন মৃত্যুর ঝুঁকির পাশাপাশি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা চাকরি তথা অর্থনৈতিক ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে একাডেমিক মিথস্ক্রিয়া জারি রাখার মাধ্যমে তাদের শিক্ষাজীবন সচল রাখবার জন্য বদ্ধ পরিকর। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট প্রতিবন্ধকতা রয়েছে বলে আমরা মনে করি:

৪.১) যেকোনো অনলাইন কার্যক্রমে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সামনে এই মূহূর্তে অন্যতম প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮’ এর কারণে সৃষ্ট শিক্ষকদের বিদ্যাজাগতিক স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বোধের বিপন্নতা। এই আইনে নির্যাতন-নিপীড়ণের অন্যতম শিকার হচ্ছেন সাংবাদিক-লেখক-শিল্পীসহ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থী। এই আইনের উপস্থিতিতে যে কোন শিক্ষক শুধুমাত্র অনলাইনে পাঠদান করতে গিয়েই সরকার দলীয় শিক্ষার্থী, সহকমী বা প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের কোনো রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধন বা প্রতিহিংসার শিকার হয়ে জেলে যেতে পারেন। কাজেই এই মহামারির কালে অন্তঃত অনলাইন শিক্ষার প্রয়োজনে হলেও আমরা এই আইন বাতিল করবার জোর দাবি জানাই।

৪.২) দেশে এবং বিদেশে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করার অভিজ্ঞতায় দেখা যায় তা শ্রেণীকক্ষে পাঠদান বা গবেষণামূলক ব্যবহারিক শিক্ষণের চেয়ে গুণগতভাবে স্বতন্ত্র একটি প্রক্রিয়া। এজন্য শিক্ষকের আলাদা পাঠ-পরিচালনার দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের যেমন উপযুক্ত প্রযুক্তি ও প্রয়োজনীয় দক্ষতার অভাব রয়েছে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়েরও প্রয়োজনীয় আইটি অবকাঠামোর (কার্যকর ওয়েবসাইট, লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, আইটি ল্যাব, ক্যানভাস, ই-রিসোর্স শেয়ারিং, ই-ব্ল্যাকবোর্ড, প্লেজারিজম চেক সফটওয়্যার ইত্যাদির) অভাব রয়েছে।

৪.৩) এধরনের ভার্চুয়াল শেখার পরিবেশ (লার্নিং এনভায়রনমেন্ট) সত্যিকারের শ্রেণিকক্ষের শিক্ষার পরিবেশ থেকে অনেক ভিন্ন এবং এজন্য শিক্ষকদের প্রস্তুতির কোনো বিকল্প নাই। এক্ষেত্রে অধীত বিষয়কে অর্থপূর্ণ করে তোলার জন্য ‘সিনক্রোনাস’ এবং ‘অ্যাসিনক্রোনাস’ উভয় ধরনের শিক্ষা উপকরনের প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ শিক্ষক কেবল আগের ক্লাসরুমের ‘লেকচারটি’ ক্যামেরায় অনলাইনে বা লাইভে করবেন – অনলাইন শিক্ষা সম্পর্কে এধরণের সরলীকৃত ভ্রান্ত ধারণা থেকে শিক্ষকদের বের করে নিয়ে আসাটা একটি বড় বিদ্যাগত চ্যালেঞ্জ হবে। ভার্চুয়াল পরিবেশে ক্লাস নিতে অভ্যস্ত হবার, মানিয়ে নেবার জন্য যে প্রশিক্ষণ প্রয়োজন তা অধিকাংশ শিক্ষকেরই নেই।

৪.৪) অনলাইন শিক্ষার জন্য ইলেকট্রনিক বই-পত্র, পাওয়ারপয়েন্ট, ভিডিও কন্টেন্ট, ছোট ডকুমেন্টারিসহ নানা কিছুর সমন্বয়ে ক্লাস সজ্জিত করতে হয়। এধরনের কন্টেন্ট তৈরীতে বাংলাদেশের অধিকাংশ শিক্ষকের কোনো প্রশিক্ষণ নেই। উপরন্তু এক্ষেত্রে ইন্টারনেটে বৈধভাবে কন্টেট বা ই-রিসোর্স কেনার সুযোগ সীমিত হওয়ার কারণে শিক্ষকেরা নানাভাবে কপিরাইট আইনের ফাঁদে পড়বার ঝুঁকিতে পড়বেন। শিক্ষক যদি শিক্ষার্থিদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে গুগল ক্লাসরুম বা অন্য সামাজিক মাধ্যমে বইপত্রের  পিডিএফ কপি আপলোড করেন তা ঐ বইয়ের কপিরাইট লংঘন করবে এবং প্রকাশক আন্তর্জাতিক কপিরাইট আইনে মামলা করে দিতে পারে।

৪.৫) অনেক শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নেটওয়ার্ক সুবিধার বাইরে থাকেন, অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নেটওয়ার্কও দুর্বল।

৪.৬) পৃথিবীব্যাপী গত কয়েকমাসের অচলাবস্থা, এবং স্থানীয় চিকিৎসা পরিস্থিতি দুরবস্থার কারণে আতঙ্ক সমাজের আর সবার মত শিক্ষকদেরও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে রেখেছে। এর সাথে যুক্ত হচ্ছে মনোসংযোগের অভাব, অবসাদ, প্যানিক অ্যাটাকসহ নানা মানসিক জটিলতা। ইতিমধ্যেই সমাজের সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে নিজ শিক্ষার্থীদের পাশে না থাকতে পারা, এবং দেশব্যাপী নানা অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলার নৈতিক অধিকার ও সাহস হারানোর কারণে শিক্ষকদের আত্ম-বিশ্বাস, প্রত্যয়বোধসহ সার্বিক মানসিক স্থিতিই বিনষ্ট হয়েছে।

) শিক্ষাজীবন পুনরুদ্ধারে করণীয়

আমরা মনে করি মহামারী মোকাবেলায় সরকার ও রাষ্ট্রের ব্যর্থতার একটি অন্যতম কারণ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশ্নে রাষ্ট্র পরিচালকদের চিন্তা ও কল্পনাশক্তির ঐতিহাসিক ব্যর্থতা। কোভিড-১৯ মহামারীতেও আমরা স্পষ্ট দেখছি যে নীতি-নির্ধারণ বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ব্যবহারের কোনো আগ্রহ সরকারের তো নেই, উপরন্তু যৌক্তিক সমালোচনা ও পরামর্শের পথ রুদ্ধ করবার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়সহ জন-জীবনে নানা নিপীড়ণমূলক ভীতি বিস্তারেই সরকার অধিক তৎপর।

এপরিস্থিতিতে ২০২০ শিক্ষাবর্ষের পরিণতি এবং বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ চিন্তা করে এখনি কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নিলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা-জীবন অনেকটুকু পুনরুদ্ধার করা সম্ভব। এমনকি সদিচ্ছা থাকলে এই সংকটকে উপলক্ষ্য করেই আমাদের উচ্চশিক্ষার গুণগত মান অনেকটুকু বাড়িয়ে নেয়াও সম্ভব।

২০২০ শিক্ষাবর্ষ পুনরুদ্ধারে আশু করণীয় 

৫.১) শিক্ষার্থীদের মহামারীকালিন বিপর্যস্ত অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে অবিলম্বে দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকটে থাকা শিক্ষার্থীদের এক বছরের জন্য মাসিক ৩০০০ টাকার বৃত্তির ব্যবস্থা করা ও প্রয়োজনে এর মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তুতি রাখা।

৫.২) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কমপক্ষে ৫০% শিক্ষার্থীকে তথ্য-প্রযুক্তি সক্ষমতা অর্জনের জন্য এক-কালিন ২০,০০০ টাকার বৃত্তির ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থনৈতিক বিচারে দুঃসাধ্য হলে তা দীর্ঘ মেয়াদী সুদহীন ঋণ হিসেবে দিতে হবে।

৫.৩) উভয় ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী নির্বাচন বিভাগীয় পর্যায়ে হবে এবং এক্ষেত্রে অনিয়ম রোধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিতে হবে।

৫.৪) সকল প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি কমপক্ষে ৫০% হ্রাস করতে হবে। মহামারীকালিন সময়ে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকের চাকরি এবং পূর্ণ-বেতন নিশ্চিত করতে হবে।

৫.৫) সকল শিক্ষার্থীর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট নিশ্চিত করতে হবে দেশের সকল অঞ্চলে প্রয়োজনীয় গতির ইন্টারনেট প্রবাহ নিশ্চিত করতে হবে ।

৫.৬) শুরুতে শুধু স্নাতোকোত্তর ক্লাসের শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরীক্ষামূলক ভাবে অনলাইন শিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করা যেতে পারে । প্রাযুক্তিক অবকাঠামো নির্মাণের আগে স্নাতক শ্রেণির ক্লাস শুরু করা অনুচিত হবে।

৫.৬) ‘অনলাইন ক্লাস’ এর মতো বিভ্রান্তিকর পরিভাষায় বর্ণিত কিছু ইন্টারনেট নির্ভর লেকচারের পরিবর্তে বিভিন্ন বিষয়ে তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণের জন্য ‘ই-লার্নিং’ কনটেন্ট’ তৈরীর ব্যবস্থা করতে হবে।  শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি ও অবকাঠামো নিশ্চিত করতে হবে। অনলাইন ক্লাস না বলে পুরো কার্যক্রমকে ‘ই-শিক্ষণ’ বা সহশিক্ষা/সহযোগিতা হিসেবে নামকরণ করা হলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে ‘অনলাইন ক্লাস’ নিয়ে তৈরী হওয়া অনিশ্চয়তা ও ভীতি দূর হবে।

৫.৭) ২০২০ শিক্ষাবর্ষের জন্য ‘ই-লার্নিং’, গবেষণা বা ব্যবহারিক কোর্স, মূল্যায়ন প্রক্রিয়া, এবং পরীক্ষা পদ্ধতির একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা বা রোড ম্যাপ তৈরী করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী কারিকুলাম ও একাডেমিক অধ্যাদেশ পুনর্বিন্যাস করতে হবে। একইভাবে পূর্ববর্তী শিক্ষাবর্ষের বাকী থাকা যে কোন কার্যক্রমের জন্য সুনির্দিষ্ট কার্যক্রমের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে।

৫.৮) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের বিদ্যাজাগতিক স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বিধানে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট ২০১৮ বাতিল করতে হবে। এই আইন বহাল রেখে অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম চালুর কোনো সুযোগ নেই ।

৫.৯) অনলাইনে ই-শিক্ষণ চালু করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত পরিবর্তন আনতে হবে। যেমন – শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের প্রাতিষ্ঠানিক ইমেইল দিতে হবে,  না পারা গেলে আপতকালীন ব্যবস্থা হিসেবে স্বল্প সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থী-শিক্ষকদের ইমেইলের লিস্টসার্ভ বা তালিকা বিভাগ অনুযায়ী শিক্ষকদের কাছে পৌঁছাতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময় থেকেই শিক্ষার্থীদের তথ্য আছে, সে তথ্যের ভিত্তিতে প্রত্যেকের ই-শিক্ষণে অংশ নেয়ার সক্ষমতা যাচাই করতে হবে। তারপর তাদের সক্ষমতা যাচাই শেষ হলে, প্রয়োজনীয় ডিভাইস যাদের প্রয়োজন তাদের কাছে পৌঁছাতে হবে। এবিষয়ে দুর্নীতির সমূহ সম্ভাবনা থাকায় শক্ত ভাবে মনিটরিং করতে হবে। মোবাইল অপারেটর কোম্পানিদের বিনামূল্যে সংকটাপন্ন শিক্ষার্থীদের নম্বরগুলোতে ব্যন্ডউইডথ সরবরাহ করতে হবে। বিডিরেনের মাধ্যমে পরিচালিত জুম ক্লাসগুলোতে অংশ নেয়াদের জন্য এটা করা অসম্ভব নয় তবে এর প্রস্তুতির জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন। মোবাইল অপারেটরদের গ্রামাঞ্চলের ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর জন্য চাপ দিতে হবে।

৫.১০) শিক্ষকদের সিনক্রোনাস ও অ্যাসিনক্রোনাস কন্টেন্ট নির্মানে, সিলেবাস, কারিকুলাম পরিবর্তনে সময় এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে, তাদের নেটওয়ার্ক ও ডিভাইসের (সিন্টিক ডিভাইস বা ল্যাপটপ) সহযোগিতা লাগলে তা দিতে হবে, তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে এবং টিচিং ও রিসার্চ এসিস্টেন্টদের জন্য ফান্ড দিতে হবে।

৫.১১) মুনাফা বা আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ নয় বরং জীবন সংলগ্ন বিষয় এবং শিক্ষার্থিদের সার্বিক কল্যাণ মাথায় রেখে অনলাইন কার্যক্রমকে সাজাতে হবে। এই দুর্যোগে মোবাইল কোম্পানির মুনাফা বেড়েছে, কাজেই তাদের সামাজিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে এখাতে অর্থ ব্যয় করতে হবে। করোনার কারণে বন্ধ থাকায়  বিশ্ববিদ্যালয়ের সাশ্রয়কৃত অর্থ শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যয় করতে হবে।

৫.১২) সমস্ত পরিকল্পনা ও পদক্ষেপ উপর থেকে চাপিয়ে না দিয়ে নিচ থেকে আসা উচিত।

৫.১৩) যেহেতু প্যানডেমিক পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হতে যাচ্ছে, সকল বিশ্ববিদ্যালয়েই আগামী তিনমাসের মধ্যে কোভিড-১৯ পরীক্ষা, উপযুক্ত আইসোলেশন সেন্টার, এবং জীবন রক্ষাকারী জরুরী চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি কমপক্ষে ২০২২ সাল পর্যন্ত শারীরিক দূরত্ব ও নিরাপত্তা বজায় রেখে ‘অন-ক্যাম্পাস’ শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থা করতে হবে। এসব শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে ফেরানোর জন্য অনিবার্য পূর্বশর্ত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভবিষ্যত করণীয়

৫.১৪) যত দ্রুত সম্ভব বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য-প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

৫.১৫) বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের আবাসিক সংকটের সমাধান করতে হবে।

৫.১৬) উচ্চ-শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণের পথ থেকে সরে এসে জাতীয় প্রয়োজনে একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে উচ্চশিক্ষায় রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগ ও বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

৫.১৭) বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধি করে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রয়োজনে তার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

প্রেস কনফারেন্সে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সামিনা লুৎফা এবং বখতিয়ার আহমেদ। প্রশ্নোত্তর পর্বে আলোচনায় অংশ নেনঃ আনু মুহাম্মদ, কামরুল হাসান মামুন, কাজী এস ফরিদ, শর্মী হোসেন, অভ্যিনু কিবরিয়া ইসলাম, সিত্তুল মুনা হাসান, খাদিজা মিতু, ও আরিফুজ্জামান রাজীব।

Social Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *