কিউবার জনগণ আত্মসমর্পণ করবে না

কিউবার জনগণ আত্মসমর্পণ করবে না

মানোলো দে লস সান্তোস

২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি কিউবার হাভানায় হাজারো মানুষ হোসে মার্তির উত্তরাধিকার স্মরণে মিছিল করে। ছবি: প্রগ্রেসিভ ইন্টারন্যাশনাল

“কিউবার পতন আসন্ন”– মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবি নতুন কিছু নয়। প্রতিবার অর্থনৈতিক অবরোধ আরও কঠোরভাবে আরোপ করার সময় এ ধরনের কথা বলা হয়। তা সত্ত্বেও কিউবার জনগণ মার্কিন আগ্রাসনের মুখে বিপ্লবের প্রতি তাদের অঙ্গীকার ও সৃজনশীল প্রতিরোধ জারি রেখেছেন। কিউবার ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক অবরোধ ও তার বিপরীতে কিউবার লড়াই নিয়ে লেখাটি peoplesdispatch.org-এ প্রকাশিত হয় ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ। মূল লেখা For the Cuban people, surrender is not an option থেকে অনুবাদ করেছেন কল্লোল মোস্তফা।  

ওয়াশিংটনের ক্ষমতার করিডোরে আবারও পুরোনো, আক্রমণাত্মক সুর শোনা যাচ্ছে। হোয়াইট হাউস, বিভিন্ন থিঙ্ক-ট্যাংকের বিশেষজ্ঞ এবং মার্কিন রাজনীতিবিদরা আবারও কিউবার ‘আসন্ন পতন’-এর ভবিষ্যদ্বাণী করছেন। গত ষাট বছরের বেশি সময় ধরে বিশ্ব এই কথা শুনে আসছে, বিশেষ করে যখনই যুক্তরাষ্ট্র দ্বীপরাষ্ট্রটির ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ায় তখনই। তবে ২০২৬ সালে এই বাগাড়ম্বরের পেছনে রয়েছে কঠোর জ্বালানি অবরোধ। জানুয়ারির শেষ দিকে স্বাক্ষরিত নতুন এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসন কিউবার ওপর এই জ্বালানি অবরোধ আরোপ করে।

২০২৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল বলেন, ‘আমাদের দেশে জ্বালানি তেল ঢুকতে না দিলে পরিবহন, খাদ্য উৎপাদন, পর্যটন, শিশুদের শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থা সবই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ এই অবরোধের উদ্দেশ্য স্পষ্ট–পুরো ব্যবস্থাকে ভেঙে ফেলা, জনগণের অসন্তোষ সৃষ্টি করা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করা। হোয়াইট হাউসের বক্তব্যও এই উদ্দেশ্যকে স্পষ্ট করে। একই দিনে প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ‘কিউবার সরকার শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং দেশটি পতনের মুখে।’ এটি সাধারণ কোনো বিশ্লেষণ নয়, বরং একটি মনস্তাত্ত্বিক কৌশল, যার উদ্দেশ্য অনিবার্য পতনের ধারণা জোরদার করা এবং কিউবার নেতৃত্বকে চাপের মুখে ছাড় দিতে বাধ্য করা।

এই নীতি শুধু প্রচলিত অর্থে ‘নিষেধাজ্ঞা’ নয়; এটি একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা, যার মাধ্যমে জ্বালানির প্রতিটি উৎস বন্ধ করে একটি দেশকে শ্বাসরোধ করা হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এমন সব দেশ বা কোম্পানির ওপর কঠোর শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে, যারা কিউবার সঙ্গে তেল বাণিজ্য করতে চায়। কার্যত কিউবার সমুদ্রসীমাকে নিষিদ্ধ এলাকায় পরিণত করা হয়েছে। ডিসেম্বর থেকে কিউবাগামী একাধিক তেলবাহী জাহাজ ক্যারিবীয় সাগরে মার্কিন নৌবাহিনী আটক করেছে বা সম্পদ জব্দের হুমকি দিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছে।

এই পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় কিউবা কঠোর জ্বালানি রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে, যাতে জরুরি সেবাগুলো চালু রাখা যায়। স্বাস্থ্য, পানি, খাদ্য উৎপাদন, শিক্ষা, গণপরিবহন ও প্রতিরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, আর ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য জ্বালানি বিক্রি সীমিত করা হয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের জন্য পর্যটন ও সিগার শিল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত চালু রাখা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা সরাসরি চালু থাকবে, আর উচ্চশিক্ষায় আংশিক অনলাইন ব্যবস্থা থাকবে। কিউবার বিপ্লবী নেতৃত্ব নিশ্চিত করেছেন কিউবার ‘পতন হবে না’।

পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় কিউবা কঠোর জ্বালানি রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে, যাতে জরুরি সেবাগুলো চালু রাখা যায়। স্বাস্থ্য, পানি, খাদ্য উৎপাদন, শিক্ষা, গণপরিবহন ও প্রতিরক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, আর ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য জ্বালানি বিক্রি সীমিত করা হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের পরিকল্পনাকারীদের কাছে কিউবা ৬৭ বছরের একটি সমস্যা, অনাহার ও অন্ধকার চাপিয়ে দিয়ে যার সমাধান করতে হবে। কিন্তু কিউবার জনগণের কাছে এই সংকট তাদের সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে আত্মসমর্পণ না করার দীর্ঘ ইতিহাসেরই ধারাবাহিকতা।

‘বিশেষ সময়’-এর স্মৃতি

কেন কিউবার মানুষ ওয়াশিংটনের পূর্বাভাস অনুযায়ী বিশৃঙ্খলায় ভেঙে পড়েনি, তা বুঝতে হলে ‘শান্তিকালীন বিশেষ সময়’-এর ইতিহাস দেখতে হবে। ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর কিউবা ভয়াবহ অর্থনৈতিক ধাক্কা খায়। রাতারাতি দেশটি তার আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৮৫ শতাংশ এবং ভর্তুকিযুক্ত জ্বালানি আমদানির সুযোগ হারায়। জিডিপি ৩৫ শতাংশ কমে যায় এবং মানুষের দৈনিক খাদ্য গ্রহণ ৩০০০ ক্যালরি থেকে ১৮০০ ক্যালরিতে নেমে আসে। দিনে ১৬ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ থাকত না, আর গণপরিবহন ভেঙে পড়ায় সাইকেল প্রধান যানবাহনে পরিণত হয়।

এ সময় যুক্তরাষ্ট্র টরিসেলি আইন (১৯৯২) ও হেলমস-বার্টন আইন (১৯৯৬) পাস করে চাপ আরও বাড়ায়। কিন্তু কিউবার জনগণ ভেঙে পড়েনি, তারা ‘অপশন জিরো’ নামে টিকে থাকার কৌশল তৈরি করে। সরকার সীমিত সম্পদ সবচেয়ে দুর্বল জনগোষ্ঠীর মধ্যে বণ্টন করে এবং সংকটের মধ্যেও শিশুমৃত্যুর হার যুক্তরাষ্ট্রের অনেক অঞ্চলের চেয়ে কম রাখে। এই সময়টি শুধু খাদ্যাভাব নয়, বরং উদ্ভাবনের সময়ও ছিল। এ সময়ই দেশটিতে বিশ্বের সর্বপ্রথম শহুরে জৈব কৃষি ও ব্যাপক হারে জ্বালানি সাশ্রয় ব্যবস্থা গড়ে ওঠে।

জ্বালানি সংকটের প্রত্যাবর্তন

২০২৬ সালের সংকট অনেক দিক থেকে ১৯৯০-এর দশকের পুনরাবৃত্তি, তবে আরও জটিল। এর সূত্রপাত ২০১৯ সালে, যখন ট্রাম্প প্রশাসন ভেনেজুয়েলার প্রতি সমর্থনের কারণে কিউবার তেল আমদানিকে লক্ষ্যবস্তু করে। কিউবাকে ‘সন্ত্রাসবাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক’ ঘোষণা করে ও হেলমস-বার্টন আইনের তৃতীয় টাইটেল সক্রিয় করে আন্তর্জাতিক জাহাজ ও বিমা কোম্পানিগুলোকে ভয় দেখানো হয়।

২০২৫ সালের মধ্যে কিউবার বিদ্যুৎ খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পুরোনো সোভিয়েত প্রযুক্তির বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো কিউবায় স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ভারী তেল ব্যবহার করতে পারে না। বৈদেশিক মুদ্রার অভাবে যন্ত্রাংশ আমদানিও বন্ধ হয়ে যায়। ২০২৬ সালের অবরোধ শুরু হওয়ার সময় জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা প্রয়োজনের তুলনায় ২৫ শতাংশ কম সক্ষমতায় চলছিল। প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-কানেল দেশের জনগণকে খোলাখুলিই জানিয়েছিলেন– জ্বালানি ছাড়া স্কুল বাস থেকে শুরু করে আধুনিক জৈব প্রযুক্তির ওষুধ সংরক্ষণ–সবই ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যাবে।

হস্তক্ষেপের আশঙ্কা: কারাকাস থেকে হাভানা

কিউবার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থানকে মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকায় তাদের সাম্প্রতিক সামরিক হস্তক্ষেপ থেকে আলাদা করে দেখা যায় না। ইরান ও ভেনেজুয়েলায় ব্যবহৃত ‘রেজিম চেঞ্জ’ কৌশল এখানেও প্রয়োগ করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার সম্ভাবনাও এখন বাস্তব আলোচনার বিষয়।

এর পেছনে দুটি কারণ রয়েছে। একটি হলো আদর্শিক কারণ। যুক্তরাষ্ট্র চায় না এ অঞ্চলে এমন কোনো রাষ্ট্রের অস্তিত্ব থাকুক, যা মার্কিন প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করে। কিউবার অস্তিত্বই মনে করিয়ে দেয়, এমনকি পরাশক্তির ছায়ার মধ্যেও স্বাধীন সার্বভৌম থাকা সম্ভব। দ্বিতীয়ত, কিউবার বিশাল নিকেল ও কোবাল্ট মজুত–যা বৈদ্যুতিক গাড়ি ও আধুনিক অস্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ–সেটি নিয়ন্ত্রণের আগ্রহ। যদি কিউবার বর্তমান শাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে, তবে এসব সম্পদ আবার মার্কিন কোম্পানির হাতে চলে যাবে।

নতুন প্রতিরোধ: নবায়নযোগ্য জ্বালানি

তবে কিউবাকে নতুন করে চেপে ধরার প্রতিক্রিয়ায় দেশটি আত্মসমর্পণের সাদা পতাকা ওড়াচ্ছে না। কিউবা জানে জীবাষ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা দেশটির এক বড় দুর্বলতা, যুক্তরাষ্ট্র বারবার যার সুযোগ গ্রহণ করে। এ কারণে কিউবা সাম্প্রতিক সময়ে জীবাষ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য শক্তিতে বড় বিনিয়োগ করছে। কিউবায় ২০২৫ সালে ৪৯টি নতুন সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হয়েছে, যা জাতীয় গ্রিডে প্রায় ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করেছে।

২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে চীনের সহায়তায় আরও ১৫০ মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য শক্তি যুক্ত হওয়ার কথা। কিউবার লক্ষ্য স্পষ্ট–তেল বন্ধ হলে সূর্যের শক্তি ব্যবহার করা। দেশটির প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি অবরোধ আমাদের নবায়নযোগ্য শক্তির পথে আরও দৃঢ় করেছে।’

কিউবার লক্ষ্য স্পষ্ট–তেল বন্ধ হলে সূর্যের শক্তি ব্যবহার করা। দেশটির প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি অবরোধ আমাদের নবায়নযোগ্য শক্তির পথে আরও দৃঢ় করেছে।’

সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ২৪ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো দীর্ঘ মেয়াদে জ্বালানি সার্বভৌমত্ব অর্জন করা। এ জন্য দেশটিতে বড় আকারের সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন ছাড়াও ঘরে ঘরে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে সোলার প্যানেল বসিয়ে বিকেন্দ্রীভূত ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। কিউবায় একুশ শতকের ‘জ্বালানি সার্বভৌমত্বের’ এ লড়াই ১৯৯০-এর দশকের নগর বাগানের লড়াইয়ের সমতুল্য।

কিউবার ‘পতন আসন্ন’–এই গল্প বহুবার লিখেছেন এমনসব মানুষ যাদের এই দ্বীপ দেশের ইতিহাস ও স্মৃতির গভীরতা সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ২০২৬ সালের জ্বালানি অবরোধ দেশটির সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে একটি নির্মম অপরাধ, যার উদ্দেশ্য এমন বিশৃঙ্খলা তৈরি করা, যাকে পরে মার্কিন গণমাধ্যম কিউবা সরকারের ব্যর্থতার ‘প্রমাণ’ হিসেবে দেখাবে। যেন অগ্নিসংযোগকারীরা কোনো বাড়িতে আগুন দিয়ে সেই বাড়িটিকেই দোষারোপ করছে–বাড়িটি কেন দাহ্য উপাদান দিয়ে তৈরি।

কিউবায় নতুন করে চালু করা জ্বালানি রেশনিং আত্মসমর্পণের লক্ষণ নয়; বরং এটি জাতীয় প্রতিরক্ষার একটি কৌশলগত পদক্ষেপ–একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা, যার মাধ্যমে এই আক্রমণের মুখে টিকে থাকা যাবে এবং একইসঙ্গে কিউবার সমাজের সেই ভিত্তিগুলো রক্ষা করা হবে, যা একে মার্কিন মডেলের বিকল্প হিসেবে গড়ে তুলেছে।

বিশ্বের প্রতি কিউবা একটিই বার্তা দিয়ে যাচ্ছে। কিউবার সঙ্গে আলোচনা চলবে, ব্যবসা-বাণিজ্যও চলবে। কিন্তু দেশটিকে কেউ দখল করতে পারবে না। কিউবাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নয়া উপনিবেশ বানানো যাবে না। কিউবার গল্প ব্যর্থ রাষ্ট্রের গল্প নয়; বরং এমন এক দেশের গল্প যে দেশের জনগণ স্থির করেছে– তেল নয়, তাদের ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি হলো স্বাধীন থাকার দৃঢ় সংকল্প।

বিশ্বের প্রতি কিউবা একটিই বার্তা দিয়ে যাচ্ছে। কিউবার সঙ্গে আলোচনা চলবে, ব্যবসা-বাণিজ্যও চলবে। কিন্তু দেশটিকে কেউ দখল করতে পারবে না। কিউবাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নয়া উপনিবেশ বানানো যাবে না। কিউবার গল্প ব্যর্থ রাষ্ট্রের গল্প নয়; বরং এমন এক দেশের গল্প যে দেশের জনগণ স্থির করেছে– তেল নয়, তাদের ভবিষ্যতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি হলো স্বাধীন থাকার দৃঢ় সংকল্প। কিউবার গ্রামগুলোতে সূর্যের আলোয় আলোকিত নতুন সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো সেই অদম্য জাতির নীরব সাক্ষী, যারা হার মানতে রাজি নয়।

মানোলো দে লস সান্তোস: দ্য পিপলস ফোরামের নির্বাহী পরিচালক এবং ট্রাইকন্টিনেন্টাল ইনস্টিটিউটের গবেষক। তিনি মান্থলি রিভিউ, পিপলস ডিসপ্যাচ, কাউন্টার পাঞ্চসহ বিভিন্ন প্রগতিশীল মিডিয়ায় নিয়মিত লেখালিখি করেন। তার সহ-সম্পাদনায় প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে– Venezuela vs. Hybrid War (LeftWord, 2020), Comrade of the Revolution: Selected Speeches of Fidel Castro (LeftWord, 2021) এবং Our Own Path to Socialism: Selected Speeches of Hugo Chávez (LeftWord, 2023).

Social Share
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •